জিয়াউর রহমান জিয়া, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ১০টি স্থানে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মদ-জুয়ার আসর। প্রকাশ্যে ওই সব অবৈধ জুয়া এবং মদের আসর চললেও থানা পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগ আছে ওই সব জুয়ার আসর থেকে পুলিশ টাকা তুলে থাকে। থানার কথিত ক্যাশিয়ার জুয়ার আসরে উপস্থিত হয়ে তাদের পাওনা আদায় করে নিয়ে আসে। অবশ্য পুলিশ বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে।

অভিযোগ ও সরেজমিনে নিশ্চিত হওয়া গেছে, উপজেলার নটানপাড়া, বামনের চর, বড়াইকান্দির ওকড়াকান্দা, কর্তিমারী, আমবাড়ি হাট, চেংটাপাড়া, শৌলমারীর বাগেরহাট, গাছবাড়ি হাট, ফুলুয়ারচর ও বন্দবেড় এলাকায় বসে জুয়া আর মদের আসর। এর মধ্যে আমবাড়ি ও গাছবাড়ি নামের দুটি হাটে প্রতিযোগিতামূলক জুয়া খেলা চলে। আর ফুলুয়ারচর ও বন্দবেড় নামক স্থানে অষ্টমী মেলার নামে বসেছে জুয়ার আসর। চলবে ১ বৈশাখ পর্যন্ত। উপজেলা শহরের প্রায় মানুষই জানে যে ওই সব স্থানে জুয়া আর মদের আসর হয়।
এদিকে স্থানীয় জাতীয় পার্টি জেপির এমপি রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগে এলাকাবাসীর সঙ্গে ওয়াদাবদ্ধ হয়েছি যে নির্বাচিত হলে রৌমারীতে কোনো জুয়ার আসর হতে দেব না। কিন্তু আমি তো তা পারছি না পুলিশের কারণে। আমি কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার ও রৌমারী থানার ওসিকে বারবার জুয়া বন্ধ করার জন্য বললেও পুলিশ কথা শুনছে না। পুলিশকে বললেই তারা বলে কোথাও জুয়া চলে না।’

এ বিষয়ে রৌমারী থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘জুয়ার আসর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন রৌমারীতে কোনো জুয়ার আসর নেই।’




