ads

বৃহস্পতিবার , ৩ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহাদেবপুরে নৈশ্যপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ১২টি দোকানে সিরিজ ডাকাতি : আহত ৫

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ৩, ২০১৪ ৮:২০ অপরাহ্ণ

dakati dfমহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ ২ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাতে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজীবাজারে ব্যবসায়ী ও নৈশ প্রহরীদের মারপিট করে বেঁধে রেখে ১২টি দোকানে দুর্ধর্ষ সিরিজ ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতরা ওইসব দোকানের তালা ভেঙ্গে ভিতরের লোহার সিন্দুক, ষ্টিল আলমারী ও ক্যাশবাক্স ভেঙ্গে নগদ ৭ লাখ টাকাসহ অন্তত ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে। ডাকাতদের প্রহারে নৈশ্যপ্রহরীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। বিগত দিনে এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ কোন মামলা না নেয়ায় পুনরায় ডাকাতির এই ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মোফাকখারুল ইসলাম জানান, রাত দেড়টার দিকে মুখোশ পরিহিত ৩০/৩৫ জনের একদল ডাকাত রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নৈশ্যপ্রহরী সবুর আলী, ভোটান ও গোলাম মোস্তফাকে বেধড়ক মারপিট করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে বাজারের ১২ টি দোকানে হানা দেয়। প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে ডাকাতরা সেখানে লুটপাট চালায়। গত ১ ডিসেম্বর রাতে ব্যবসায়ী রতন সাহার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ মামলা না নেয়ার কারণে ডাকাতরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন। ডাকাতদের প্রহারে ৩ নৈশ্যপ্রহরী ও ২ গরু ব্যবসায়ী আহত হয় বলেও জানান তিনি। আহতদের চিৎকারে এলাকাবাসী বাজারে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। সেই সঙ্গে বাজারের সামান্য দূরে কানছকুৃড়ি নামক স্থানে অবস্থানরত টহল পুলিশকে স্থানীয়রা জানালে পুলিশ টহল পিকআপের সাইরেন বাজিয়ে আসার আগেই ডাকাতরা পালিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারের রতন সাহার মুদির দোকান থেকে ২ লাখ টাকা, মঞ্জুরুল আলমের মুদির দোকান থেকে ৭৫ হাজার টাকা, মামুনুর রহমানের মোবাইল ফোনের দোকান থেকে ৪০ হাজার টাকা, অমৃত কুন্ডুর চালের আড়ৎ থেকে ৯৫ হাজার টাকা, বাবুর ফ্লেক্সিলোড দোকান থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মূল্যের ক্রেডিট ও সিম কার্ড, আজিজুল ইসলামের মুদি দোকান থেকে সাড়ে ১৮ হাজার টাকা, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিমের মুদি দোকান থেকে ৩৪ হাজার টাকা, আফজাল হোসেনের কাঁসার থালা-বাসনের দোকান থেকে বিভিন্ন থালা-বাসনসহ নগদ ৩৫ হাজার টাকা, আজিজার রহমানের কাপড়ের দোকান থেকে মূল্যবান কাপড়-চোপড়সহ নগদ ১৫ হাজার টাকা, আল্ মামুনুর রশিদের মুদির দোকান থেকে ৪০ হাজার টাকা ও নিতাই চন্দ্র সরকারের মুদির দাকান থেকে ৩৫ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদ ডাকাতরা লুট করে নিয়ে যায়। ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ এএইচ এনায়েত উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!