শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি : ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেরপুরের শ্রীবরদীতে বিএনপি’র কোন প্রার্থী না থাকায় সাবেক সংসদ সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক রুবেলের আর্শিবাদ নিয়ে সবাইকে চমক দিয়ে আ’লীগ মনোনীত হেভিয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে একসময়ের বেকার যুবক খোরশেদ আলম ফর্সা নির্বাচিত হলেও ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে তাকে জামানত হারাতে হলো। এ নির্বাচনে ৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী অংশগ্রহণ করে তার মধ্যে ফর্সা সর্বনিম্ন ভোট পেয়েছে ৩শত ৮৫টি। আর আ’লীগ সমর্থিত উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আশরাফ হোসেন খোকা ২৮ হাজার ৭শত ২২ ভোট পেয়ে ২য় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অপর দিকে জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ফর্সা কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম লিটন চিংড়ি মাছ প্রতীক নিয়ে ৪শত ৪০ ভোট পেয়েছেন। জানাযায়, ৫ই জানুয়ারী ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির টিকেটে শেরপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেও তরুন নেতা ফর্সাকে জামানত হারাতে হয়েছে। খোরশেদ আলম ফর্সার একের পর এক ভরাডুবির ঘটনায় উপজেলা জুড়ে সর্বমহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। একটি সূত্রের মতে খোরশেদ আলম ফর্সা গত ৫ বছর উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কোন অবদান রাখতে না পারায় বিশেষ করে মানুষের সাথে প্রতিশ্র“তি দিয়েও তা বাস্তবায়ন করতে না পারায় ও দুই ভাইয়ের বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তার জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামে। আর এ কারণে ভোটাররা দুটি নির্বাচনেই ভোটের মাধ্যমে তাকে প্রত্যাখান করেছে। এ কারণে তাকে দুটি নির্বাচনেই জামানত হারাতে হয়েছে।




