ads

রবিবার , ২৯ ডিসেম্বর ২০১৩ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে এবার দেশী জাতের মাসকলাই ভাল হলেও হাইব্রীডে ধরা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৩ ৯:১৬ অপরাহ্ণ

Sherpur Pic-4হাকিম বাবুল, শেরপুর :   শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা এলাকার বি¯তৃত চরাঞ্চল মাসকলাই চাষের জন্য আগে থেকেই বিখ্যাত। এখানকার উৎপাদিত মাসকলাইর মান ভাল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাহিদাও বেশ ভাল। কিন্তু এবার অনেক মাসকলাই চাষী তাদের আবাদ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। অধিকাংশ মাসকলাই গাছের ছেঁই দেখতে অকালে পেকে যাওয়ার মতো মনে হলেও ভেতরে কোন দানা পাওয়া যাচ্ছেনা। ছেইয়ের ভেতরে মাসকলাইর দানা ভুষি হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় অধিকাংশ মাসকলাই চাষী তাদের ক্ষেত ভেঙ্গে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।
কৃষকরা বলছেন, এবার দেশী জাতের মাসকলাইর আবাদ ভাল হলেও হাইব্রীড জাতের ফলন ভাল হয়নি। হাইব্রীড জাতেই এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, সারের সমস্যার কারণে এমন হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, মাটির খাদ্য হিসেবে ক্ষেতে বোরণ এবং জিপসাম সারের ঘাটতির কারণে মাসকলাইর আবাদে এমন ঘটনা ঘটেছে।
চন্দ্রকোনা এলাকার কৃষক আমছর আলী বলেন, কালাই ক্ষেত মনে হয় পুইড়া গেছে। ছেই ধুন্দা হইয়া গেছে। জায়গায় জায়গায় পাতাপুতা মনে অয় ডান্ডা-মান্ডা কিছুই নাই। ক্ষেত মনে অয় সেপটিক ধইরা গেছে। কেউ কেউ বললেন, চন্দ্রকোনা বাজারে বিক্রী করা তিউনিসিয়ার সার নাকি দুই নম্বর আছিলো। সারের কারণে এমুন অইছে। আরেক কৃষক রেজাউল করিম বলেন, প্রতি মৌসুমেই মাসকালাইর আবাদ করি। কিন্তু ইবার দেখা যাচ্ছে, ক্ষেতের মাঝে মাঝে যেন পুড়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোকদের বললাম তারা, এটা-ওটা ভিটামিন দিতে বললো, দিলাম কিন্তু কোন কাজ হলোনা। কালাই মনে হয় পেকে গেছে, কিন্তু ছেইয়ের ভেতর কোন দানা নাই, খালি ভুষি ভুষি মতো অবস্থা। উপায় না দেখে অহন ক্ষেত ভাইঙ্গা ফালাইতেছি। কৃষক সমর আলী বলেন, চার কাঠা জমিতে মাসকালাই করেছিলাম। দেশী জাতেরটা ভাল হয়েছে, হাইব্রীডে একেবারে ধরা, ফলনই হয় নাই। কৃষানী আনেজা বেগম বলেন, ইবার কালাইর ভিতর ছেইয়ি ঠিকমতো অয় নাই। কালাই কইরা ইবার ধরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নকলা উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে ৬শ হেক্টর জমিতে মাসকলাইর আবাদ করা হয়েছে। এবার বারি-৩ জাতের উচ্চ ফলনশীল জাতের মাসকলাইর আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, মাসকলাইকে কৃষকরা অনেকটা বাড়তি ফসল হিসেবে হেলায়-ফেলায় চাষ করেন। যে কারণে ঠিকমতো পরিচর্যাও করেন না। কিন্তু যারা ঠিকমতো জমিতে বোরণ এবং জিপসাম সার ব্যবহার করেছেন, তাদের ক্ষেতের ফসল ভাল হয়েছে। মাসকলাই আবাদে ভাল ফলন পেতে কৃষকদেরকে উন্নত জাতের বীজ ও সুষম সার ব্যবহার এবং ঠিকমতো ক্ষেতের পরিচর্যা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এজন্য কৃষকদেরকে নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!