ads

সোমবার , ৬ জুলাই ২০২৬ | ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময়কে কাজে লাগাতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৬, ২০২৬ ৮:০০ অপরাহ্ণ

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য তিন বছরের বর্ধিত সময়কে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো ও প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, রাজনীতি যদি অর্থনীতিবান্ধব না হয়, তাহলে এ ধরনের আলোচনা কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে অর্থনীতিবান্ধব রাজনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

Shamol Bangla Ads

৬ জুলাই সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে র‍্যাপিড (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট) আয়োজিত ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অ্যান্ড ট্রেড কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

জাহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ এখনই না এলেও বাংলাদেশের সামনে রপ্তানি খাতের যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলার বিকল্প ছিল না। অর্থনীতিকে রপ্তানিমুখী করেই এগোতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এসব চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে। সরকার এরইমধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এর ফলে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত সময় শুধু সমস্যা পেছানোর জন্য নয়, বরং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।

Shamol Bangla Ads

তিনি বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে মনোযোগী রয়েছেন। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার, রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, প্রশাসনিক জটিলতা দূরীকরণ এবং এলডিসি-পরবর্তী নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে। আলোচনায় অর্থনীতিবিদেরা যেসব বিষয় তুলে ধরেছেন, তা বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্ব বাণিজ্যের কাঠামো ও আন্তর্জাতিক শর্তের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগোতে হবে। এলডিসি উত্তরণের পর যেসব নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সেগুলো মোকাবিলায় এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনের পর বিষয়টি সাধারণ পরিষদেও অনুমোদন পেতে হবে। বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশ হওয়ায় এ ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না এবং বাংলাদেশ তিন বছরের বর্ধিত সময় পাবে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি খাতের সব ধরনের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। অর্থনীতিবিদদের সুপারিশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি’তে প্রায় ১৫৭টি পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। দেশীয় বাস্তবতায় সেগুলো মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি বাজারে চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও অন্যান্য রপ্তানি গন্তব্যে বাংলাদেশকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তাই সময় বৃদ্ধি নিশ্চিত করাই শেষ লক্ষ্য নয়, বরং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও র‍্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক ড. এম আবু ইউসুফ, র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।

Need Ads
error: কপি হবে না!