শেরপুরের নকলায় মৃগী নদীতে ডুবে যাওয়া এক শিশুকে উদ্ধার করতে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ২৮ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত লামিয়া আক্তার উপজেলার চরমধুয়া গ্রামের সেলিম রেজার কন্যা এবং চরমধুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। ওই ঘটনায় নিহতের জমজ বোন সামিয়া আক্তার ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লামিয়া আক্তার ও তার জমজ বোন সামিয়া আক্তার ব্রহ্মপুত্রের শাখা মৃগী নদীতে গোসল করতে যায়। ওই সময় তারা সিজদা (৮) নামে এক শিশুকে নদীর পানিতে ডুবে যেতে দেখে। শিশুটিকে বাঁচাতে দুই বোনই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা সিজদাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে তাকে উদ্ধারের সময় লামিয়া পানিতে ডুবে যায়।
পরে স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করে লামিয়াকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লামিয়ার অপর জমজ বোন সামিয়া আক্তার ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যায়। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

নকলা থানার এস আই তরিকুল ইসলাম বলেন, পানিতে ডুবে নিহতের ঘটনায় নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ জানান, শুক্রবার দুপুরে নকলা উপজেলার চরমধুয়া গ্রামে লামিয়া আক্তার নামে একজনের পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।




