শেরপুরের শ্রীবরদীতে জাল দলিলে খারিজ করার অভিযোগে আব্দুল করিম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীবরদী থানা পুলিশ। ১৯ আগস্ট বুধবার দুপুরে পৌরশরের তাতিহাটী পূর্ব এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আব্দুল করিম তাতিহাটী এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, শ্রীবরদী পৌরসভার তাতিহাটী পূর্ব এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুল করিম কিছু দিন যাবত শ্রীবরদী উপজেলার পত্রিকার এজেন্ট ও তাতিহাটী পূর্ব এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: বাবুল মিয়ার সাথে জমি নিয়ে বিরোধ করে আসছে। সম্প্রতি আব্দুল করিম বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ আরো ৪ জনের নামে আদালতে ভূমি প্রতিরোধ আইনে মামলা করে। আদালত শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। উক্ত মামলা আব্দুল করিমে পক্ষে প্রতিবেদন নেওয়ার জন্য জাল দলিল ব্যবহার করে তার পক্ষে খারিজ করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৬ জানুয়ারী ২০২২ তারিখের ৩৪৪ নং দলিলটি অনলাইনে দাখিল করে নামজারির আবেদন করে আব্দুল করিম। যাহার নামজারি কেইস নং- ৯৫২৬ (ওঢ-ও) ২০২৫-২০২৬ আবেদন নং- ৫২৭৩০৬৯। পরে উক্ত দলিলটির বিষয়ে আপত্তি উত্থাপিত হলে দলিলটি যাচাই করে সাব রেজিষ্ট্রী অফিসের বালাম বহির যাচাই করে জালিয়াতি হিসেবে প্রমান পাওয়া যায়। পরে আব্দুল করিমের খারিজটি বাতিল করা হয়। আব্দুল করিমের দায়েরকৃত দলিলটি প্রতারনামূলক ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজনকৃত দলিল খাটি হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগে রাণীশিমুল-তাতিহাটী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইবনে জায়েদ বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেন।

রাণীশিমুল-তাতিহাটী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইবনে জায়েদ বলেন, আব্দুল করিম একটি দুসাহসিক কাজ করেছেন। একটি জাল দলিল সৃজন করিয়া তাহা ব্যবহার করে খারিজের আবেদন করে। পরে বিষয়টি নিয়া আপত্তি উত্থাপিত হলে দলিলটি যাচাই বাছাই করা হয়। পরে দলিল জাল হিসেবে প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে থানায় মামলা করি। যাহাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর কেউ না করতে পারে।
শ্রীবরদী থানার অফিসার, মোহাম্মদ নূরুল আলম বলেন, আব্দুল করিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোর্পদ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




