শেরপুরে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও ৩ দিনব্যাপী লোকজ মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই জায়গায় গিয়ে শেষ হয়।

পরে ডিসি উদ্যানে জেলা প্রশাসন ও বিসিকের উদ্যোগে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী লোকজ মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। ওইসময় পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল চৌধুরীসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লোকজ মেলাটি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী দিনে বিকেলে মেলা চত্বরের বিজয় মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখের নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে জেলা শিশু একাডেমী ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীদের সমন্বয়ে কবিতা পাঠ, ছড়া পাঠ, গান ও নাচ পরিবেশন করা হবে।

মেলায় আবহমান বাংলার লোকজ নানা পণ্য, হস্তশিল্প, লোকজ শিল্প, মুখরোচক নানা খাবারের দোকান, বাঁশ ও মাটির তৈরি জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন শো-পিস ও পণ্য সামগ্রীর প্রায় ৪০ টি স্টল বসেছে। উদ্বোধনের পর থেকেই মেলায় ভিড় করেছে শিশু-তরুণসহ নানা বয়সের মানুষ।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ও বর্ষবরণের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলার প্রায় শতাধিক গ্রামে বিভিন্ন হাট-বাজার ও স্কুল মাঠে বসেছে লোকজ ও গ্রামীণ বৈশাখী মেলা।




