ads

বৃহস্পতিবার , ৩ অক্টোবর ২০২৪ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় দাফনের ২ মাস পর কোটা আন্দোলনে গুলিতে নিহত শফিকের লাশ উত্তোলন

জাহাঙ্গীর হোসেন, নকলা
অক্টোবর ৩, ২০২৪ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নকলায় দাফনের ২ মাস পর কোটা আন্দোলন চলাকালে নারায়ণগঞ্জে গুলিতে নিহত গার্মেন্টসকর্মী শফিক মিয়ার (২৮) লাশ আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়ের চিথলিয়া গ্রামে একটি পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। শফিক স্থানীয় জুলহাস মিয়ার ছেলে। ২ বোন ১ ভাইয়ের মধ্যে শফিক ছিল মেঝো। সে সোনারগাঁও থানা এলাকায় মিনা গার্মেন্টসে শ্রমিকের কাজ করত। শফিক বিবাহিত এবং ৩ কন্যাসন্তানের জনক।

Shamol Bangla Ads

লাশ উত্তোলনকালে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওলিয়ার রহমান, নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাউল আলমসহ পুলিশ সদস্য, নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কোটা সংস্কারকে ঘিরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট বেলা অনুমান ৪টার সময় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাঁচপুর সেনপাড়া নামক স্থানে পাকা সড়কে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর চালানো গুলিতে শফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ওইদিন রাতে শফিকের লাশ বাড়িতে এনে পরদিন তাঁকে একটি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করে।

Shamol Bangla Ads

পরবর্তীতে শফিকের চাচাতো ভাই আবু হানিফ (৪০) বাদী হয়ে গত ২৩ আগস্ট সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নম্বর-১৫, তারিখ-২৩/০৮/২০২৪ ইং) দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩৫ জনকে। পরবর্তীতে ১১ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে কবর থেকে শফিকের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।

ভূমিহীন শফিকের পরিবারের বাস দরিদ্রসীমার নীচে। বাবা জুলহাস মিয়া মাছ বিক্রি করে যা পেত তা দিয়ে কোনমতে খেয়ে না খেয়ে চলত শফিকের পরিবার। কিছুদিন আগে জুলহাস অসুস্থ্য হয়ে শয্যাশায়ী হওয়ার পর শফিক পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে নারানগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের চাকরি নেয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে এখন শফিকের পরিবার অকূল সাগরে ভাসছে বলে জানিয়েছেন শফিকের বাবা জুলহাস মিয়া। শোকে পাথর শফিকের মা, স্ত্রীসহ অবুঝ ৩ শিশুসন্তান।

Need Ads
error: কপি হবে না!