শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে দোকান ঘর ভেঙে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ২৯ এপ্রিল শনিবার দুপুরে উপজেলার গোশাইপুর ইউনিয়নের মাটিয়াকুড়া গাবতলী বাজারে ওই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী ওই জমি দখলের নেতৃত্বে রয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে। হামলা ও ভাঙচুরের হুমকি পেয়ে ভুক্তভোগী আবুল হাসেম শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিচারের দাবি তুলেছেন।

জানা যায়, গাবতলি বাজার হতে খলশেকুড়ি বিলে যাতায়াতের বিকল্প রাস্তা না থাকায় কিছু কৃষকের যাতায়াত ও ফসল নিয়ে আসতে সমস্যা হচ্ছে, এ অভিযোগ তুলে স্থানীয় ছত্তর মিয়ার ছেলে আবুল হাসেম মিয়ার একতলা বিল্ডিং দোকান ঘরের পাশ দিয়ে রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করে এলাকাবাসী।
পরে বিনামূল্যে সে জমি দিতে রাজি না হওয়ায় সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মো. আমিনুল ইসলাম, প্রফেসর ফারুক মিয়া, মাওলানা মো. ফেরদৌস মিয়া, ইউপি সদস্য সাজু মিয়া ও লাল ফকিরের প্রত্যেক্ষ মদদে তার দোকান ঘর ভেঙে রাস্তা তৈরি করা হয়।

এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিলে যাতায়াত ও ফসল ঘরে তোলার রাস্তা না থাকায় আমরা রাস্তা বের করলাম। বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত আবুল হাসেম বলেন, এই জমি আমার বিআরএস রেকর্ডভুক্ত। আমার সম্পদ ক্ষতি করে কিভাবে রাস্তা দিবো। প্রায় ৩০ বছর যাবৎ দোকান ঘর নির্মাণ ভাড়া দিয়ে আসছি। জোর করে আমার দোকানঘর ভেঙে দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, আমি খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার ইউনুস বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। অন্যের রেকর্ডিয় সম্পত্তিতে জোর করে দোকানঘর ভেঙে রাস্তা নির্মাণ করা আইনসম্মত নয়।




