শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পিতা হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সন্তানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক স্ত্রী। ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে নালিতাবাড়ী প্রেসক্লাবে ওই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে তাহসিন আক্তারের (১১) পক্ষে তার মা ও শফিকুলের সাবেক স্ত্রী মমতাজ বেগম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

ওইসময় মমতাজ বেগম বলেন, শহরের দক্ষিণ বাজার মহল্লার বাসিন্দা শফিকুল ইসলামের সাথে ২০১১ সালে তার বিয়ে হয়। এরপর তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরে রুপালী নামের এক নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে ২০২০ সালে তাকে তালাক দেওয়া হয়। এর আগে মুর্শিদা নামের এক নারীর সঙ্গেও কিছুদিন পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি দাবি করেন, গত ৯ জুলাই হঠাৎ করেই শফিকুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়েন।পরে তাঁর ভগ্নিপতি তোফাজ্জল, ব্যবসায়িক পার্টনার হাসু মিয়া, রুপালী ও মুর্শিদা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর ১২ জুলাই ঢাকার কোন এক প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানে ১৯ জুলাই শফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তবে ব্যাপারে তাকে বা তাঁর মেয়েকে কোন কিছুই জানানো হয়নি বলে জানান মমতাজ।

পরে এ মৃত্যুকে হত্যার অভিযোগ এনে গত ১০ আগস্ট ভগ্নিপতি তোফাজ্জল, ব্যবসায়িক সহযোগী হাসু এবং ওই দুই নারী রুপালী ও মুর্শিদাসহ ৪ জনকে আসামী করে মেয়ের পক্ষে তাঁর মা বাদী হয়ে শেরপুর আদালতে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করছেন নালিতাবাড়ী থানার এসআই সায়েদুর রহমান।
মামলাটি যেন কোন কারণে অন্যদিকে প্রবাহিত হতে না পারে- সেজন্য এই সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে জানান মমতাজ বেগম।
এ ব্যাপারে এসআই সায়েদুর রহমান বলেন, আদালতের মাধ্যমে বিষযটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নালিতাবাড়ী থানায় পাঠানো হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




