শেরপুরের শ্রীবরদীতে কোরআন শরিফ অবমাননার অভিযোগে ভুট্টু মিয়া (৩০) নামে এক মাদকসেবীকে আটক করেছে পুলিশ। ২৩ জুলাই শনিবার দুপুরে উপজেলার খরিয়াকাজীরচর ইউনিয়নের হালগড়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। সে ওই গ্রামের চান মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হালগড়া গ্রামের মাদকসেবী ভুট্টু মিয়া দীর্ঘদিন যাবত কোরআন শরিফ অবমাননা ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে নানা কটুক্তি করে আসছিল। ওই ঘটনায় কেউ বাঁধা দিতে গেলে তাকেও দা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতো সে। সম্প্রতি ভুট্টুর বাবা চান মিয়া বাঁধা দিলে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ নিয়ে স্থানীয় মসজিদে শালিস হয়। এতে তার বাবা চান মিয়া ছেলেকে সংশোধনের সুযোগ চেয়ে সময় নেয়। এরপর থেকে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে। ফলে এলাকার লোকজন ভয়ে কেউ তার কাছে যায় না। শনিবার ভুট্টু তার মাকে গালাগালি করে। পরে আবারও কোরআন অবমাননা করতে গেলে গ্রামবাসীরা উত্তেজিত হয়ে তাকে আটক করে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসানুজ্জামান রনি বলেন, সে মাঝে-মধ্যেই ধর্ম ও কোরআন শরিফ অবমাননা করে আসছে। দা নিয়ে ঘুরে। মানুষ ওর ভয়ে আতংকে দিন কাটাচ্ছে। এ জন্য গ্রামবাসীরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এ ঘটনা শুনে শ্রীবরদী থানায় যান ধর্মীয় নেতাসহ স্থানীয় লোকজন। ওইসময় ইত্তেফাকুল ওলামা বৃহত্তর ময়মনসিংহের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সুলতান মাহমুদ বলেন, কোরআন শরিফ অবমাননা করে জখন্যতম পাপ কাজ করেছে। আমরা ওই নাস্তিকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, ওই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।




