ads

রবিবার , ১৯ জুন ২০২২ | ২৯ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বন্যার পানি উজানে কমতে শুরু করলেও বাড়ছে ভাটি এলাকায়

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
জুন ১৯, ২০২২ ৬:০১ অপরাহ্ণ

নতুন করে আরও ১০ লক্ষ টাকা ও ১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ

শেরপুরে বন্যার পানি উজানে কমতে শুরু করলেও বাড়ছে ভাটি এলাকায়। এতে ভাটি এলাকার নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে দ্বিতীয় দফায় শেরপুরের মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলাসহ জেলায় ১৩টি ইউনিয়নের ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে পানি বন্দী হয়ে পড়ে ৪০ হাজার মানুষ। ১৯ জুন রবিবার বিকেল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যমতে, নতুন করে আরও ৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ায় ইউনিয়নের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯টিতে এবং গ্রামের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫টিতে। অন্যদিকে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সরকারিভাবে নতুন করে আরও ১০ লক্ষ টাকাসহ এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, রবিবার ভোর থেকে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী, সোমেশ^রী নদী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বাড়তে শুরু করেছে সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি। এ দফার পানিতে শনিবার পর্যন্ত ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ীর ৫টি করে, শ্রীবরদীর ২টি ও সদর উপজেলার ১টিসহ জেলায় ১৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়। তবে উজানের পানি এখন নীচু এলাকায় নামতে শুরু করায় ওইসব উপজেলার মধ্যে ঝিনাইগাতীর অবশিষ্ট ২টি, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও নকলায় আরও ১টি করে ইউনিয়নের নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। সবমিলিয়ে প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫টি। আর এতে পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্যমতে, শেরপুর জেলায় ব্রহ্মপুত্র ছাড়া সকল নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে। ভোগাই নদীর নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৮২ সে.মি. ও নালিতাবাড়িতে ২২৮ সে.মি. নীচ দিয়ে এবং চিল্লাখালি নদীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপদসীমার ১২৮ সে.মি. নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমার ৩২৫ সে.মি. নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী সদরে পানি কমায় ভেসে ওঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। ওইসব এলাকার গ্রামীণ সড়ক, ব্রিজ-কালভার্ট, কাঁচা ঘর-বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানিতে ভেসে গেছে শতশত মাছের পুকুর। এছাড়া অনেক গবাদি পশুপাখিসহ কিছু এলাকায় চলতি আউশ আবাদের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে রবিবার সদর উপজেলার গাজীরখামার ইউনিয়ন ও নকলা উপজেলার উরফা ইউনিয়নের আরও কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

এদিকে দুর্গতদের সহায়তায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় দ্বিতীয় দফায় আরও নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। রবিবার বিকেলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার তামারা তাসবিহা শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে ওই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রথম দফায় বরাদ্দ পাওয়া ৬০ মে. টন চাল, ৩ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৫শ প্যাকেট শুকনো খাবার ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে উপবরাদ্দমূলে বন্যাদুর্গত এলাকায় বিতরণের কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। চাহিদামূলে নতুন বরাদ্দ পাওয়া টাকা ও শুকনো খাবারও দ্রুতই বিতরণের ব্যবস্থা হচ্ছে।

Need Ads