ads

শনিবার , ১৮ জুন ২০২২ | ২৯ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ীতে বন্যাদুর্গদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন নবাগত জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
জুন ১৮, ২০২২ ৭:২৯ অপরাহ্ণ

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার। তিনি ১৮ জুন শনিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শ করে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। একই সাথে তিনি দুর্গত অসহায় লোকজনদের মাঝে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবন, ১ লিটার তেল, ১ কেজি চিনি, আধা কেজি মুড়ি, আধা কেজি চিড়া, মরিচের গুড়া, হলুদের গুড়া, ধনিয়ার গুড়া ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। ওইসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল আলম ভূইয়াসহ স্ব-স্ব ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

এরপর জেলা প্রশাসক নালিতাবাড়ী উপজেলার প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। সেই সাথে তিনি এখানকার কিছু দুর্গতমানুষের মাঝেও ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। ওইসময় নালিতাবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস-চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম..সহ স্থানীয় অন্যান্য জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বৃষ্টি ও উজানের পানির কারণে শেরপুরে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ইতোমধ্যে ৬০ মেঃ টন চাল, ৩ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৫শ প্যাকেট শুকনো খাবার অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সেগুলোর বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, জেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ইতোমধ্যেই বিশেষ সভা করে সবাইকে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সব সরকারি কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোর থেকে দ্বিতীয় দফায় অতি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে মহারশি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝিনাইগাতীর ৫ টি, নালিতাবাড়ীর ৫ টি, শ্রীবরদীর ২ টি ও সদর উপজেলার ১ টিসহ জেলার ১৩ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে ওই সব ইউনিয়নের অন্তত ৬০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। পানির তোড়ে শুক্রবার রামেরকূড়া গ্রামের বাঁধের সাথে একটি বাড়ি ও মুরগীর খামার ভেসে গেছে। এছাড়া পাহড়ী ঢলের তোড়ে মহারশি বাধেঁর বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে গেছে। ঝিনাইগাতী-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের উপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে ঢলের পানি। পানিতে তলিয়ে গেছে কাঁচা-পাকা বহু সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রিজ-কালভার্ট। ভেসে গেছে শতশত পুকুরের মাছ। সেই সাথে বেড়েগেছে দূর্ভোগ শতশত দরিদ্র মানুষের।

Need Ads