ads

সোমবার , ৯ মে ২০২২ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভারতের আমন্ত্রণে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে মেঘালয় গেলেন শেরপুরের ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
মে ৯, ২০২২ ১০:৫২ অপরাহ্ণ

ভারত সরকারের আমন্ত্রণে মেঘালয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শেরপুর জেলার ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা ভারতের মেঘালয়ে গিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী এবং আজাদী কা অমৃত মহোৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ১৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন, যারা মেঘালয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং ১১ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি প্রতিনিধি দলে সাংবাদিকসহ অন্যান্য পেশার বাংলাদেশিরাও রয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

তারা ৯ মে সোমবার সকাল ১১ টায় বাংলাদেশের সিলেটের তামাবিল-ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ৯ মে থেকে ১৪ মে পর্যন্ত মেঘালয়ের রাজধানী শিলংসহ একাত্তরে বিভিন্ন মেঘালয়ের বিভিন্ন সেক্টরে, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় স্থানে ভ্রমণ, স্থানীয় সরকারী স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে যোগদানসহ রাষ্ট্রীয় ভোজে অংশ গ্রহন করবেন। ওই সময়কালে তাদের থাকা-খাওয়া ও ভ্রমণের খরচ সম্পূর্ণ সরকারিভাবে বহন করা হবে।

শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম মাওলা, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশারফ হোসেন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আমিনুল ইসলাম।

Shamol Bangla Ads

ভারত সরকারের আমন্ত্রণের চিঠির বরাত দিয়ে শেরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান জানান, এই সফরে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল মেঘালয় সরকারের নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করবে যার মধ্যে গভর্নর এবং মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা রয়েছেন। প্রতিনিধি দলটির ভারতীয় সেনাবাহিনী, ভারতীয় বিমান বাহিনী এবং ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গেও দেখা করার কথা রয়েছে, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এই সফর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং ভারতীয় আয়োজক উভয়ের জন্যই ১৯৭১ সালের যুদ্ধের মুহূর্তগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ দেবে এবং একে অপরের জন্য শক্তিশালী সংযোগ এবং বন্ধুত্বকে আরও গভীর করবে।

Need Ads