ads

বৃহস্পতিবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চেক জালিয়াতি ॥ শেরপুরে জেলা পরিষদের নারী সদস্য স্বামীসহ কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২ ৭:২৮ অপরাহ্ণ

শেরপুরে চেক জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর এক মামলায় জেলা পরিষদের এক নারী সদস্য ও তার স্বামীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তারা হচ্ছেন জেলা পরিষদের শ্রীবরদী অঞ্চলের সংরক্ষিত সদস্য ও স্থানীয় সাতানী শ্রীবরদী এলাকার অধিবাসী মোছা. কোহিনুর আক্তার (৪২) এবং তার স্বামী মো. মাসুদুর রহমান লাজু (৪৮)। ১০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দম্পতি স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন জানালে উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরিফুল ইসলাম খান তা নাকচ করে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রউফ ও আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. বেলায়েত হোসেন।

Shamol Bangla Ads

মামলার বিবরণে প্রকাশ, ২০২০ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে শ্রীবরদী পৌর শহরে নলকূপ স্থাপনের একটি প্রকল্প বাস্তবানের লক্ষ্যে জেলা পরিষদ সদস্য কোহিনুর আক্তার ও তার স্বামী মো. মাসুদুর রহমান লাজু তাদের আত্মীয় ও একই এলাকার অধিবাসী মো. মিজানুর রহমান মিন্টুকে প্রকল্প সভাপতি করেন। ওইসময় প্রকল্পের নামে স্থানীয় কৃষি ব্যাংকে একটি হিসাব খোলা হয় এবং হিসাব খোলার পর চেক বইসহ প্রকল্পের সকল কাগজ তাদের কাছেই রেখে দেন কোহিনুর ও লাজু। এর কিছুদিন পর পারিবারিক কারণে মিন্টুর সাথে ওই দম্পতির সর্ম্পকের অবনতি হয়।

একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন যে, তার বিরুদ্ধে তারা আদালতে ১ লাখ টাকার একটি চেক প্রতারণার মামলা করেছেন। পরে তিনি ওই মামলায় হাজির হয়ে চেকের স্বাক্ষর তার নয় এবং তা ওই দম্পত্তি স্থানীয় জনৈক এনামুল ইসলাম হুমায়ুনের যোগসাজশে ২০২০ সালের ২৪ মার্চ জালিয়াতির আশ্রয়ে সঠিক বলে ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন- এমন চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ১৫ জুলাই শ্রীবরদী সিআর আমলী আদালতে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ তদন্ত শেষে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ওই দম্পতিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধেই আদালতে মিন্টুর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

Shamol Bangla Ads

এরপর আদালত ৩ জন আসামীর বিরুদ্ধেই গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দিলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি তারা ৩ জনই হাজির হলে আদালত সহযোগী আসামী এনামুল ইসলাম হুমায়ুনকে সরাসরি জামিন দিলেও জালিয়াতি সংক্রান্তে সিআইডির হস্তরেখা বিশারদের রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে ওই দম্পতির অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। ইতোমধ্যে সিআইডির পাঠানো হস্তরেখা বিশারদের প্রতিবেদনেও চেকের স্বাক্ষরটি তার (মিজানুর রহমান মিন্টু) নয় এবং এটি জাল বলে প্রতিয়মান হয়। ওই অবস্থায় বৃহস্পতিবার কোহিনুর-লাজু দম্পতির স্থায়ী জামিনের আবেদন নাকচ করেন আদালত।

Need Ads