শেরপুরের শ্রীবরদীতে চোরাই মালামাল বিক্রি করতে গিয়ে আটক হলো ৩ জন। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার তাতিহাটি বাজারে। বুধবার আটককৃত তিনজনকে কোর্টে সোপর্দ করা হলে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। আটককৃতরা হলো তাতিহাটি ইউনিয়নের বড় পোড়াগড় গ্রামের আনোয়ার হোসেন বিলুজের ছেলে উমর হোসেন রাজা (২২),একই গ্রামের মৃত নওশাদ আলীর ছেলে ইমরান মিয়া (৩৫) ও বেগবাড়ির বাজারু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (২৬)।

জানা যায়, সম্প্রতি তাতিহাটি বাজারের হাবিবুল্লাহ মনোহরি দোকানে চুরি সংঘটিত হয়। গত মঙ্গলবার রাতে রাজা ওইসব চোরাই মালামাল বিক্রি করতে আসে। এ সময় তাতিহাটি বাজারের এক দোকানদার সন্দেহাতীতভাবে তাকে বসতে বলে। পরে স্থানীয় সাবেক কমিশনার শাহ আলম ঘটনাস্থলে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তিনজনকে আটক করে। পরে তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে উদ্ধার হয় আরো মালামাল। আটক করা হয় ইমরান ও সোহেল কে।
এসব মালামালের মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ ডিটারজেন্ট পাউডার, বিস্কিট, সাবান ও তেলের বোতল। সাবেক কমিশনার শাহ আলম বলেন, সম্প্রতি আরো কয়েকটি দোকানে চুরি সংঘটিত হয়। এর পর থেকেই কিছু দোকানদারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে চোরাই মালামাল বিক্রি করতে এলে তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়।

শ্রীবরদী থানার এসআই নাজমুল আমিন জানান, পৌরশহরের তাতিহাটি নয়া পাড়া এলাকার হাবিবুল্লার দোকানের মালামাল চুরি করে একই এলাকার সিসা মিয়ার দোকানে চোরাই মালামাল বিক্রি করতে আসে রাজা। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী রাজা কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে রাজার তথ্যের ভিত্তিতে ইমরান ও সোহেল কে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় চোরাই মালামাল। এ ঘটনায় দোকানদার হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে এজাহার নামিয় ৫ জনসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে শ্রীবরদী থানায় মামলা দায়ের করেছে।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস কুমার বিশ্বাস বলেন, চোর চক্রের জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।




