ads

বৃহস্পতিবার , ২৭ জানুয়ারি ২০২২ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মুজিববর্ষঃ নকলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার বীর নিবাস পাচ্ছেন ৪৯ অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

জাহাঙ্গীর হোসেন, নকলা - ফটো কার্ড
জানুয়ারি ২৭, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে শেরপুরের নকলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের স্বপ্নের বাড়ি ও বীর নিবাস পাচ্ছেন ৪৯ অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার।

Shamol Bangla Ads

২৬ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে উপজেলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের গৌড়দ্বার গ্রামে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্রাম হোসেনের স্ত্রী অসচ্ছল সখিনা বেগম (৭০) এর বীর নিবাস ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে ওই কর্মসূচির সুচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।
বীর নিবাস নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার আবুল মুনসুর, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সারোয়ার আলম তালুকদার, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আরেফিন পারভেজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, সুবিধাভোগী সখিনা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিধবা স্ত্রী ও সন্তানদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের ক্ষেত্রে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের একতলা বিশিষ্ট পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ন্যায় নকলা উপজেলাতেও ৪৯ জন অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধা উপহার হিসেবে পাচ্ছেন সরকারের দেওয়া ওই নান্দনিক ঘর। এ উপজেলায় ১২ টি ঘর নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে বাকী ৩৭ টি পর্যায়ক্রমে হবে। প্রথম দফায় ২২ টি ঘর উপকারভোগিদের জন্য চূড়ান্ত হলে পরে বরাদ্দ দেওয়া হয় ১২ টি ঘরের। ১২ টি ঘরের মধ্যে গনপদ্দি ইউপিতে ২ টি, উরফাতে ২টি, গৌড়দ্বারে ২টি, টালকীতে ২টি, চরঅস্টধর, বানেশ্বর্দী, পাঠাকাটা ও চন্দ্রকোনা ইউপিতে ১ টি করে। দ্বিতীয় দফায় নতুন আরও ৩৭ টি ঘরের বরাদ্দ আসে। ৬৩৫ বর্গফুটের সমপরিমাণ নিজ জমিতে ও বীর নিবাস নামে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এ ঘর তৈরি করা হবে। প্রতি ঘরে থাকবে দুটি শয়নকক্ষ, ১টি ডাইনিং, ১টি ড্রইং, ১টি রান্নাঘর ও দুটি বাথরুম। প্রতিটি বীর নিবাস-এর জন্য খরচ হবে ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৮ টাকা। এ হিসেবে নকলায় চলমান ১২ টি নিবাসের জন্য ১ কোটি ৬১ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬।
পজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৪৯টি ঘরের মধ্যে ইতোমধ্যে ১২টির টেন্ডার হয়ে গেছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কাজ চূড়ান্ত হয়েছে। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ হবে।

বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, গত বছর আমরা ২২ জনের তালিকা দিয়ে ছিলাম। সেখান থেকে ১২জনের বাড়ীর কাজ চলমান আছে। এবার আমরা ৩৭জনের তালিকা করব যেখানে গতবছরের অবশিষ্ট ১০জনও থাকবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাদেশে অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধারা পাচ্ছেন সরকারের পক্ষ থেকে একতলা বিশিষ্ট ওই নান্দনিক ঘর। সরকারের নির্দেশনার আলোকে বীর নিবাস নির্মাণের জন্য পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাই শেষে নকলায় প্রথম পর্যায়ে ১২জন বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য বীর নিবাসের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। পরে আরও ৩৭টি ঘরের বরাদ্দ আসে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও এমন ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।

Need Ads