বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রতিষ্ঠার পঞ্চম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শেরপুর শহরের উপকণ্ঠ দমদমাস্থ সোনার বাংলা যুব সংঘের উদ্যোগে ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর দু’দিনব্যাপী জমকালো অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রতিষ্ঠান অঙ্গনে প্রথম দিনে পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি শেরপুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, জেলা আইনজীবী সমিতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার।

পরে দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে মুক্তমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা ও বিশেষ নাটক ‘একাত্তরের সৈনিক’ মঞ্চায়নকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর বাবুল মিয়া। সংগঠনের আহবায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিজানুর রহমান মুক্তার সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব বাকী বিল্লাহ।
নিজেদের লেখা ওই নাটকে একাত্তরের যুদ্ধকালীন সময়ে নানা নির্যাতনসহ বিভৎস ঘটনা ফুটিয়ে তোলায় মধ্যরাত পর্যন্ত এলাকার নারী-পুরুষসহ বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তা উপভোগ করেন।

দ্বিতীয় দিনে আলোচনা, কনসার্ট ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম আধার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, জেলা পৌর কর্মচারী সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, আইনজীবী নেতা তাজুমুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, খন্দকার কালু গাজী, শফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, আশরাফ আলী, আতিকুর রহমান আতিক, হাবিবুল্লাহ বাহার, উজ্জল সরকার ও মিজানুর রহমান মিজান।
সংগঠনের আহবায়ক মিজানুর রহমান মুক্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব বাকী বিল্লাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিহার হোসেন প্রমুখ।
কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট ফোক সঙ্গীতশিল্পী হাসনা হেনা ও লালন সঙ্গীতশিল্পী জেসমিন। মধ্যরাত পর্যন্ত নারী-পুরুষসহ কয়েক হাজার দর্শক ওই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। র্যাফেল ড্র শেষে প্রথম পুরস্কার ফ্রিজসহ অন্যান্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।




