আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় শেরপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ৩ নারীসহ ৭১ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৩ অক্টোবর রবিবার ওই তালিকা দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। একইদিন দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশনার আলোকে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের আবেদন জমা নিয়ে ইউনিয়নওয়ারী তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে কামারেরচর ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ৯ জন, চরমুচারিয়া ইউনিয়নে ৭ জন, চরশেরপুর, কামারিয়া, পাকুড়িয়া ও বলাইয়েরচর ইউনিয়নে ৬ জন করে, লছমনপুর, রৌহা ও বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নে ৫ জন করে, গাজীরখামার ও বাজিতখিলা ইউনিয়নে ১ জন করে নারীসহ ৪ জন, ভাতশালা ও ধলা ইউনিয়নে ১ জন নারীসহ ৩ জন করে ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নে সর্বনিম্ন ২ জন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল জানান, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক প্রথমত ইউনিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সরেজমিন প্রতিবেদন ও মতামত এবং পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মিলে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের তথ্য-উপাত্ত ও অবস্থানের ভিত্তিতে মন্তব্যসহ সাক্ষরিত একটি তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মনোনয়ন না পেলেও কেউ যেন বিদ্রোহী প্রার্থী না হয়ে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন, সেজন্য প্রত্যেকের লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ অক্টোবর, বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর, আপিল নিষ্পত্তি ২৪ ও ২৫ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২৬ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ ২৭ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ করা হবে ১১ নভেম্বর।




