করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে দেশ লকডাউনে পড়ে বর্তমানে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময় অসল সময় কাটছে স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় মুনাফা লোভী মাথার চুল ব্যবসায়ী বেশ কয়েকটি চক্র উঠতি বয়সের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ওইসব মেয়েদের অর্থের লোভ দেখিয়ে চুলের ক্যাপ তৈরীতে উদ্ভদ্ধ করছে। ফলে ওই সকল ছাত্রীদের মাঝে ব্যাপক উৎফুল্লাতা দেখা গেলেও উৎকন্ঠার কাজ করছে সচেতন অভিবাভকদের মাঝে।
একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, শেরপুর জেলা জুড়ে চুল ব্যবসায়ীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক। ওই শতাধিক চুল ব্যবসায়ীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় লক্ষাধিক চুলের ক্যাপ বানানোর শ্রমিক। আর অধিকাংশই শ্রমিক কোনো না কোনো স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী।
এদিকে , চুলের ক্যাপ তৈরী সুখ্য নিপুন কারুকাজটি করতে গেলে দৃষ্টি শক্তির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। দৃষ্টিশক্তি লাগবের দিকে চলে যাবে ওই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ সার্জন।
এ বিষয়ে কথিত চুল ব্যবসায়ী সমিতি’র সভাপতি ভুট্টো মিয়া জানান, চুলের ক্যাপ তৈরীতে বড় একটি ক্যাপ তৈরির মজুরি দেওয়া হয় ৮শ টাকা, ছোট ক্যাপ তৈরীতে দেওয়া হয় ৪শ টাকা। করোনার কারণে যারা বাসায় বসে অলস সময় পাড় করছেন, তাদের জন্য এটি অর্থ উপার্জনের একটি অন্যতম মাধ্যম।
অন্যদিকে, দ্রুত সময়ের মধ্যে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীদেরকে ওই কাজ থেকে সরিয়ে আনতে না পারলে লেখাপড়ার ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তিরও ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহলের অনেকেই।




