ads

মঙ্গলবার , ২৮ আগস্ট ২০১৮ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

যুবলীগ নেতা আজাদ খুন ॥ এক মাসেও মামলা নেয়নি পুলিশ, বিক্ষোভে আবারও উত্তাল ময়মনসিংহ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২৮, ২০১৮ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ॥ ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহানগর যুবলীগ সদস্য সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদ ওরফে আজাদ শেখকে নির্মমভাবে গুলি, জবাই করে হত্যার আজাদের পর পেট ও বুক চিরে কলিজা ও ফুসফুস বের করে নিয়ে গেছে খুনীরা। হত্যার ঘটনায় ২৯ দিন পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। এদিকে মামলা না নেয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে আছে ময়মনসিংহ শহর। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে নিহত আজাদের স্বজনরা। এরআগেও ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কয়েক দফা সাংবাদিক সম্মেলন, মানববন্ধন ও রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ঘেরও কর্মসূচী পালন করেছে। সেই সাথে নিজেরাই হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ধর্মমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করবে বলে ঘোষণাও দিয়েছিল নিহত আজাদের পরিবার। কিন্তু এরপরেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি ময়মনসিংহের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নগরীর গাঙ্গিনাপাড় মোড়ের প্রধান সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ভুক্তভোগি ওই পরিবার। ওই সময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আজাদের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার, বড় ভাই সালাহ উদ্দিন শেখ, আব্দুল মান্নান ও তার কর্মী শাব্বির শেখ, মাইনুল ইসলাম মিলন, রাপেল প্রমুখ। মানববন্ধন ও সমাবেশে আজাদের স্বজনরা ছাড়াও এলাকাবাসী ও যুবলীগের কর্মীরা অংশ নেন।
আজাদের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার বলেন, হত্যার দুই দিন পর গত ২ আগস্ট বিকেলে থানায় মামলা দিয়েছি। ওই এজাহারে ধর্মমন্ত্রীর ছেলে মোহিত উর রহমান শান্তকে প্রধান আসামি করে ২৫ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। ২৯ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পুলিশ মামলা নেয়নি। মামলা না নিয়ে আমাদের উল্টাপাল্টা কথা বলছেন। তবে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে মামলা নেয়ার জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানান দিলরুবা।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (ইনটেলিজ্যান্স ও কমিউনিটি পুলিশিং) মুশফিকুর রহমান বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তবে অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই দুপুরে দলীয় বিরোধের জেরধরে প্রকাশ্যে মহানগর যুবলীগের সদস্য আজাদ শেখকে গুলি, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে একই এলাকার যুবলীগের কর্মীরা। আজাদ এক সময় মোহিত-উর রহমান শান্তর গ্রুপ করতেন। পরে বনিবনা না হওয়ায় জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ও পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটুর গ্রুপে যোগ দেন বলে জানা গেছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!