শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীর বিমলের চর এলাকায় ডুবে যাওয়া রাসায়নিক সারবাহী (এমওপি/পটাশ) জাহাজ ‘জাবালে নূর’ ৮ দিনেও উদ্ধার হয়নি। জোয়ারের সময় অতিমাত্রায় স্রোতের কারন আর ভাটির সময় পানি কম থাকার অজুহাতেকৌশলে উদ্ধার কাজ ব্যাহত দেখিয়ে সময় পার করার অভিযোগ রয়েছে খোদ বনবিভাগেরর উপর। আর এসুযোগে রাতের অন্ধকারে ভাটির সময় বন বিভাগ ও প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ে চলা একটি চক্র জাহাজে থাকা অভ্যন্তরীণ জ্বালানি তেল ও বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ ছড়িয়েয়ে পড়েছে শরণখোলা উপজেলার সর্বত্র।

এমন একটি বিষয় সংবাদ কর্মীদের নজরে আসে । বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ কর্মীদের একটি টিম জেলা প্রশাসন কতৃক তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব ও শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ অতুল মন্ডলের সাথে তার অফিসে দেখা করেন । এবং তার কাছে জাহাজে থাকা অভ্যন্তরীণ জ্বালানি তেল ও বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুটের আশংকার কথা জানতে চান । তখন নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে উপস্থিত থাকা এক জন প্রতিনিধি কথাটি টেনে নিয়ে সংবাদ কর্মীদের সাথে অসৌজন্য আচরনের অভিযোগ রয়েছে। এ যেন ”ঠাকুর ঘরে কে, কলা খাইনা”। এ ব্যাপারে সারবাহী জাহাজ ডুবির ঘটনায় গঠিত বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য যুগ্ম পরিচালক নৌ সংরক্ষন পরিচালন বিভাগ খুলনা, শনিবার বিকালে মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান শুক্রবার আমরা সরেজমিনে দূর্ঘনাস্থল ও কার্গোটি পরিদর্শন করে সংক্ষিপ্ত মিটিংয়ে বসি । সেখানে কার্গো জাহাজটির অভ্যন্তরিন জ্বালানি তেলের বিষয়টি উঠে আসে । তখন শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদেরকে অবহিত করেছেন কার্গোটি প্রথমে অর্ধ ডুবন্ত থাকা অবস্থায় মালিক পক্ষ কিছু সার ও জ্বালানী তেল নিয়ে গেছে ।
দূর্ঘটনার ৮দিন পর শনিবার একটি ড্রেজার ডুবন্ত জাবালে নূর থেকে সার অপসারন কাজ শুরু করেছে । এতথ্য শনিবার বিকালে মুঠোফোনে শরণখোলা রেঞ্জের এসিএফ মো: কামাল উদ্দিন আহম্মেদ নিশ্চিত করে বলেন, খুব দ্রুত ডুবন্ত জাবালে নূরকে তুলে নেয়া হবে । তিনি আরো জানান শনিবার ঢাকার কৃষি গবেষনা বিভাগের ল্যাব থেকে একজন প্রতিনিধি এসে কার্গোতে থাকা সারের নমুনা সংগ্রহ করেছে পরীক্ষার জন্য।




