চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার জয়রামপুরে হেলেনা খাতুন (৬) নামের এক শিশুকে গলা টিপে হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছেন সৎ বাবা জাহাঙ্গীর আলম। শিশুটি যশোর জেলার মনিরামপুর গ্রামের হেলাল উদ্দীনের মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। পুলিশ বুধবার সকাল ১০টার দিকে জয়রামপুর তালপুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার জানিপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে শ্বশুর শাহাদতের বাড়িতে আসেন। এরপর তার দ্বিতীয় স্ত্রী হাজেরা খাতুনকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে। স্ত্রী তার মেয়ে হেলেনা ছাড়া যেতে অস্বীকার করলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটা-কাটি হয়। এরপর রাতে শিশু হেলেনা প্রতিদিনের ন্যায় তার নানীর কাছে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সুযোগে গভীর রাতে সৎ বাবা জাহাঙ্গীর আলম ঘুমন্ত শিশুকে তুলে নিয়ে যেয়ে গলা টিপে হত্যা করে পার্শ্ববর্তী তালপুকুরে ফেলে দেয়। সকাল ১০ টায় জেলেরা পুকুরে মাছ ধরতে গেলে লাশটি তাদের জালে উঠে আসে। খবর পেয়ে দামড়–হুদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে ঘাতক সৎ বাবা জাহাঙ্গীর আলম পলাতক রয়েছে।
দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পারিবারিক কলহের কারণে তার সৎবাবা শিশুটিকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয়। তাকে ধরতে পুলিশ জোর তৎপর রয়েছে।




