হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৯ এপ্রিল বুধবার ছিল ডাক্তার শুন্য।ফলে দুর-দুরান্ত থেকে আগত প্রায় ৩ শতাধিক রোগী চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এতে স্থানীয় লোকজনসহ সর্বমহলে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।রোগীদের অভিযোগ ৫০ শয্যার এ সরকারী হাসপাতালটি প্রায়ই ডাক্তার বিহীন থাকে। অফিস সময়ে ডাক্তাররা হাসপাতাল ফেলে বিভিন্ন চেম্বার ও ক্লিনিকে প্রাইভেট রোগী দেখায় ব্যাস্ত থাকে।অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এসব দেখার কেউ নেই।
অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রমজান মাহমুদ,ডাঃ এনামুল হক,ডাঃ জুবাইদা,ডাঃ মানতাসা,ডাঃ শারমিন,ডাঃ সাইদুর রহমানসহ কোন ডাক্তারই অফিস কক্ষে নেই। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার নামা সিদলা গ্রামের দিলোয়ারা (৩৫),খোশনাহার (৩২),হারেঞ্জা গ্রামের মদিনা (৩৮),হালিমা (৪২) ও নান্দাইল উপজেলার কালিয়ান গ্রামের বৃদ্ধা সাফিয়াসহ (৫৮) অনেকেই জানান,তারা সকাল থেকে ডাক্তার না পেয়ে বাধ্য হয়ে প্রাইভেট চিকিৎসা নিতে বিভিন্ন ডাক্তারের চেম্বারে চলে যাচ্ছেন।তথ্যনুসন্ধানে জানাযায়,খাতায়-পত্রে এ হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা রয়েছে ১৪ জন। এর মধ্যে প্রেষণে রয়েছেন ৩ জন।অবশিষ্ট ১১ জনের বেশির ভাগই কতৃপক্ষকে ম্যনেজ করে কর্তব্য অবহেলা করেও মাসের পর মাস বেতন উত্তোলন করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রমজান মাহমুদ মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের জানান, আরএমও ডাঃ হেলাল উদ্দিন ও ডাঃ তানভীর হাসান জিকু কিশোরগঞ্জে একটি জরুরি মিটিংয়ে রয়েছেন কিন্তু অন্যান্য অনুপস্থিত ডাক্তারের বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।তবে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ মিনাল কান্তি পান্ডে ডাক্তারদের অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।




