ads

সোমবার , ১৩ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ডাক্তার সংকট : মুখ থুবড়ে পড়েছে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা ব্যবস্থা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ১৩, ২০১৪ ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

Haspatl...র্ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি : প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ডাক্তার সংকটসহ নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন আরএমওসহ মেডিকেল অফিসার থাকার কথা ৯ জন। কিন্তু এখানে রয়েছে মাত্র একজন। সবেধন নীলমনি ডাঃ মোবারক হোসেনও আবার ষ্টেশনে থাকেন না। শেরপুর জেলা সদরের বাসা থেকে গিয়ে দায়িত্ব পালন করে আবার চলে যান। তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আরএমওসহ ৩টি পদের দায়িত্ব একাই পালন করে আসছেন। তাকে প্রশাসনিক কাজে সভা-সেমিনারে বেশীরভাগ সময় কাটাতে হয়। এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আরএমও নেই দীর্ঘদিন থেকে।
উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ৭টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকার কথা থাকলেও এখানে আছে মাত্র দু’টি। অথচ ওইসব উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার পুরোপুরি না থাকলেও প্রতিটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নামে ঔষধ-পত্র বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে মেডিকেল সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চালু নেই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র না থাকায় ওইসব মেডিকেল সহকারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বসে ডাক্তার না থাকায় রোগীদের ব্যবস্থা-পত্র দিয়ে আসছে। মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাঃ খাইরুল কবীর ও ধানশাইল ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাঃ আসিফ ইকবালকে এনে জোড়াতালি দিয়ে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অভিযোগ রয়েছে, ডাক্তার খাইরুল কবীর ষ্টেশনে থাকেন না। শেরপুর সদরের বাসা থেকে এসে দায়িত্ব পালন করে আবার চলে যান। ডা. আসিফ ইকবালের বাড়ী গাজীপুরে হওয়ায় তাকে ষ্টেশনেই থাকতে হয়। এছাড়া গাইনী কনসাল্টেন ডাঃ নাসরিন সুলতানা গত জুন মাসে এখানে যোগদান করে চলে যান। তিনি আর কর্মস্থলে আসেননি। বাড়িতে বসেই বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন। এ উপজেলায় বিভিন্ন জাতি-গোত্র মিলে প্রায় ২ লাখ লোকের বসবাস। প্রতিদিন চিকিৎসা লাভের আশায় শতশত হতদরিদ্র রোগী এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভীড় করে। কিন্তু ঔষধ-পত্রতো দূরের কথা, চিকিৎসকের দেখাও মেলে না। রোগীদের শূণ্য হাতে বাড়ী ফিরতে হচ্ছে। ডাক্তার ব্যতীত নার্সসহ অন্যান্য কর্মচারী থাকলেও প্রশাসনিক কর্মকর্তা না থাকায় এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। কে কখন কোথায় যাচ্ছেন, কিভাবে চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- তা দেখার যেন কেউ নেই। রোগীদের অভিযোগ ২৪ ঘন্টা জরুরী বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও এখানে তা নেই। রাত ৮টার পর নার্স থেকে শুরু করে কোন কর্মচারীকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। বর্তমানে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ব্যবস্থা একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!