জাকির হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে এক টেলিকম ব্যবসায়ীর রেজিস্ট্রারকৃত মোবাইলসীম উত্তোলন করে বিকাশের টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী গ্রামীন ফোনের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। একই বিষয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান সিলেট-৯’র অধিনায়ক বরাবরে গ্রামীণ রেজিস্ট্রারকৃত (০১৭২১০৪৫১৫৬) মোবাইলসীম অবৈধভাবে উত্তোলন এবং সীমের টাকা আত্মসাতের ব্যাপারে অপর একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করা হলেও অজ্ঞাত কারণে এ ব্যাপারে কোন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা কর্তৃপক্ষ। এভাবে বিকাশের টাকা এবং সীম আত্মসাত করা হলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদানের মাধ্যমটি বিলুপ্ত হয়ে পড়ার আশংকা করছেন স্থানীয় গ্রাহকরা। জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্টে কাজী টেলিকম এন্ড ইলেক্ট্রনিক্্র’র ব্যবসায়ী কাজী ইমদাদ’র ব্যবহৃত গ্রামীণ মোবাইল সীমে বিকাশ লেনদেন করে আসছে কয়েকমাস যাবৎ। ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় ব্যবহৃত গ্রামীণ সীমে (বিকাশ)’র নগদ ২৫ হাজার টাকা লোড হয়। প্রায় ২৭মিনিট পর সীমটা অকেজু হয়ে পড়ে এবং সাথে সাথে সীম’র বিকাশ একাউন্ট থেকে ২৫হাজার টাকাও আত্মসাত করা হয়। এ ব্যাপারে ২৪ নভেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরী (নং-১০০১) করা হয়েছে। র্যাব সিলেট-৯’র অধিনায়ক বরাবরে ৩৫১৯নং স্মারকে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ব্যবসায়ী কাজী ইমদাদ জানান, গ্রামীণ ফোনের একাধিক কর্মকর্তারা গ্রামীণ সীম ডুপ্লিকেট’র অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তারা একই নম্বরে একাধিক সীম গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে। গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাতের ঘটনার পরদিন গ্রামীণ ফোন গ্রাহকসেবা বিভাগে সীম উত্তোলন এবং আর্থিক ক্ষতি প্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগ দিলেও এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। জড়িতদের শাস্তির দাবী জানিয়ে তার আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধারের ব্যাপারে ব্যবসায়ী কাজি ইমদাদ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




