
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনায় পৃথক সন্ত্রাসী হামলায় এক যুবলীগ ও দুই জন ছাত্রদলের কর্মী গুরুতর জখম হয়েছে। জেলার চাটমোহর উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খালেকুজ্জামান খালেক (৪১) কে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দূর্বৃত্তরা। আহত খালেক উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোথর গ্রামের ইসলাম প্রামানিকের ছেলে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে একদল দূর্বৃত্তরা খালেকুজ্জামানের বসত ঘরে সিঁধ কেটে ঘরের ভেতর ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে এলোপাথারীভাবে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তার স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তরিকুল ইসলাম।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান মুন্সি জানান, যারা খালেকুজ্জামান খালেককে কুপিয়েছে তাদের তিনি চিনতে পেরেছে। এলাকার অভ্যন্তরীন কোন্দলের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলেও ধারনা করা হচ্ছে।
এদিকে জেলার ঈশ্বরদীতে পূর্বশক্রুতার জের ধরে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এলোপাথারী কুপিয়ে আহত করেছে ছাত্রদলের দুই কর্মীকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে। বৃহ¯প্রতিবার দুপুরে উপজেলার পাকশী ডিগ্রী কলেজ এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, পাকশী ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাব্বি (১৬) ও শরিফুল (১৭) তারা স্থানীয় ছাত্রদলের কর্মী বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, রাব্বি ও শরিফুলের সঙ্গে পাকশী ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর পূর্বের একটি মারামারি ঘটনা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শিমুল তার কয়েকজন সমর্থককে সাথে নিয়ে কলেজ চত্বরে রাব্বি ও শরিফুলকে চাপাতি দিয়ে এলোপাথারী কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাদের চিৎকারে সহপাঠি শিক্ষার্থী ও আশপাশের মানুষ এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিমান কুমার দাশ জানান, পূর্বের বিরোধের জের ধরে দুই ছাত্রকে পেছন থেকে কুপিয়েছে তাদের সহপাঠি বন্ধুরা। এখানে দলীয় কোনো বিষয় নেই। আহতদের অবস্থা এখন আশংকামুক্ত।





