ads

শনিবার , ১ এপ্রিল ২০১৭ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে পিটিয়ে সাইকেল মিস্ত্রিকে হত্যার গুঞ্জন ॥ দাফনের পূর্বে লাশ নিয়ে এলো পুলিশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ১, ২০১৭ ৬:২৯ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে আজিজুল হক কালু (২৮) নামে এক রিকশা-সাইকেল মিস্ত্রিকে পিটিয়ে হত্যার গুঞ্জন উঠেছে। ৩১ মার্চ শুক্রবার রাতে শহরের কসবা কাচারীপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আজিজুল হক কালু স্থানীয় কসবা শিবোত্তরপাড়া এলাকার মৃত ফকির মিয়ার ছেলে এবং সে স্থানীয় বাস স্ট্যান্ডের থাকা রিকশা ও সাইকেল গ্যারেজের মিস্ত্রি। বিনা ময়নাতদন্তে হাসপাতাল থেকে তার লাশ নিয়ে শনিবার দুপুরে এলাকায় দাফনের প্রস্তুতি চললে গুঞ্জন শুনে থানা পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে ‘অফিস সময়’ না থাকার কারণে তার ময়নাতদন্ত না করে রবিবার তা করা হবে। ওই ঘটনায় এলাকাসহ খোদ শহরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাওনা টাকার বিষয়ে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী মীরগঞ্জ এলাকার কয়েকজন যুবক কসবা কাচারীপাড়া এলাকার আল ফালাহ প্রিক্যাডেট স্কুলের কাছে একা পেয়ে আজিজুল হক কালু মিস্ত্রিকে বেধরক মারপিট করে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুঞ্জন ছড়িয়েছে, থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত না করেই প্রভাবশালী মহলের তদবিরে এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় কালুর লাশ এবং রাতেই ৭০ হাজার টাকায় আপোষ-রফা করা হয় বিষয়টি। শনিবার দুপুরে দাফনের প্রস্তুতি নিলে গুঞ্জন গড়ায় থানা পুলিশে। পরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে ওই লাশ নিয়ে যায় এবং ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ নাহিদ সুলতানা জানান, শুক্রবার রাতে নবীন চিকিৎসক আশিক মাহমুদ জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি না বুঝে ও তাকে না জানিয়ে বা থানা পুলিশকে অবহিত না করে ওই লাশ দিয়ে দিয়েছেন। শনিবার ‘অফিস সময়’ চলে যাওয়ায় ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিতর্ক এড়াতে রবিবার মেডিকেল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত হবে। একই কথা জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাঃ আনোয়ার হোসেন।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নানা গুঞ্জনের কারণে দাফনের পূর্বে কালুর লাশ নিয়ে আসা হয়েছে। কেউ অভিযোগ না করায় আপাতত একটি সাধারণ ডায়েরীমূলে মেডিকেল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের আবেদন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলেই বিষয়টি পরিস্কার হবে। পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তা পুলিশ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দেখছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!