ads

রবিবার , ২০ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ইউএনও’র সঠিক নির্দেশনায় আত্রাইয়ে দৃষ্টিনন্দন উপজেলা পরিষদ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২০, ২০১৪ ৬:৫১ অপরাহ্ণ

SAMSUNG CAMERA PICTURESতাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) : আলোকিত মানুষ আলোকিত মনের পরিচয় দেয়। কিন্তু এ কথা স্বীকার করতেই হবে। আলোকিত মনের মানুষই আলোকিত কর্মের পরিচয় দেয়। দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবহেলিত অব্যবস্থাপনা আর অপরিচ্ছন্নতায় রয়েছে অনেক উপজেলা পরিষদ।

Shamol Bangla Ads

যেখানে চাকরি করতে এসে অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী শুধুমাত্র দায়সাড়া রুটিন মাফিক কর্মক্ষেত্র থেকে দপ্তরিক কর্ম করে থাকেন। নিজ বাসাড়িতে রুচিসম্মত পরিবেশ গড়ে তুললেও কর্মস্থলে তার কোন বাস্তবতা নেই। যে কর্ম ক্ষেত্র থেকে তার জীবন জীবিকার অর্থ আসে সেখানে কোন রকমে দিনাতিপাত করে অন্যত্র চলে যায়। রেখে যেতে হয় না স্মৃতি বিজরিত কর্মকান্ড। ১৯৮৩ সালের ১লা আগষ্ট সোমবার কর্ণেল একেএম শাহজাহান উপ-আঞ্চলিক সাময়িক আইন প্রশাসক উপ-অঞ্চল-৭ রাজশাহী, আত্রাই উপজেলা পরিষদের এই নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন। এরপর কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হলে সেখানে তারা বসবাস শুরু করেন। এক্ষেত্রে সব আবাসিক ভবনগুলো ব্যবহার হয়ে আসছিল। কিন্তু কোন দিন কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী ভবনের নিজ নিজ কোয়াটারগুলোর আশপাশ পরিস্কার পরিছন্ন না করায় ঘোপজঙ্গল আর আবর্জনার স্তুপে এক বিভিষিকাময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আবাসিক কোয়াটারগুলোতে গাছের শেকড় গজিয়ে এবং শ্যাওলা পড়ে মূল্যবান ভবনগুলো একের পর এক ধ্বংসের দিকে যাচ্ছিল। উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীরে ইট ভেঙ্গে নিজের বাড়িঘর নির্মাণ করে ব্যবহার করে আসছিল অনেকে। কোথাও কোথাও সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে রাস্তা বের করে চলাচল করে আসছিল অনেকে। উপজেলা কোয়াটারেগুলো মেরামতসহ রং করার নামে হরিলুট করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা।
শুধু উপজেলা পরিষদ চত্বর নয় পাশে পশুসম্পদ, সমবায়, সমাজসেবা অফিস ছিল অব্যবস্থাপনায় আর অপরিচ্ছন্নতায় ভরপুর। দীর্ঘ সময় অনেক কর্মকর্তা অনেক কর্মচারী চাকরি করে গেছেন। কিন্তু কেউ কোন দিন এ সব দিকগুলো দেখেও দেখেনি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দেখা যায় সবার আগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ছাপ। একজন মানুষের মনের উৎফুল্লতা আসে যখনই তার আশপাশ বসবাসের স্থানসহ পরিধেয় পোশাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকে। তখনই তার কাজেও পরিস্কার মনোভাব সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় পর হলেও এ রকম একজন আলোকিত মানুষের পর্দাপণ ঘটেছে আত্রাই উপজেলা পরিষদে। আর তিনিই হলেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হেমন্ত হেনরী কুবি। গত ২০১২ সালের ১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে তিনি এ উপজেলায় যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি সহিংসতাসহ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জটিলতার মধ্যেও এই আলোকিত মানুষটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন যে জিনিসটি তা হলো দীর্ঘ দিনের পুঞ্জিভুত উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকাসহ পরিষদ চত্বর, পশু সম্পদ অফিস, হাসপাতাল, থানা, সীমানা প্রাচীর বেদখল, অবৈধ দখলসহ নানা সমস্যা নিরসনে মনোনিবেশ। এ সব সমস্যা নিজ পরিদর্শনে সমাধান করে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি ঝকঝকে তকতকে দৃষ্টি নন্দন উপজেলা পরিষদ। সকাল বিকেল ঝাড়–দার ঝাড়– দিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখছে উপজেলা পরিষদ চত্বর। শুধু তাই নয় যখন তখন পরিদর্শন করছেন যে কোন দফতর। সেই দফতরের ল্যাট্রিন থেকে শুরু করে যাবতীয় আসবাবপত্র পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকেও লক্ষ রাখছেন। এক কথায় উপজেলা পরিষদে আসা বিভিন্ন প্রকার জন সাধারণের সাথে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। এ প্রশংসা এখন সারা উপজেলাবাসীর মুখে।

Need Ads
error: কপি হবে না!