ads

বৃহস্পতিবার , ১৪ মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১৪, ২০২৬ ৮:৩৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পকে আরও পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থবহ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সেকেন্ড বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

Shamol Bangla Ads

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। তবে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বড় বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে বন্ধ রাষ্ট্রীয় মিলকারখানা পুনরুজ্জীবন, পাট খাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চীনা উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সবুজ শিল্পায়নকে এগিয়ে নিতে এখন শুধু উৎপাদন নয়; প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সর্বাধিক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এখন পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে। এই লক্ষ্য পূরণে চীনের প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চায়নিজ এন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশের সভাপতি হান কুন এবং ওভারসিজ চায়নিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহসভাপতি লিসা লু। অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

আয়োজকদের তথ্যমতে, সবুজ টেক্সটাইল শিল্পভিত্তিক সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানি, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় দুই দেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন ১৬ মে শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।

Need Ads