শেরপুর জেলায় এবার ১৬২ টি পূজামন্ডপে সাড়রম্বরে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ৯ অক্টোবর বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ওই দুর্গোৎসব। ইতোমধ্য প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জাসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিদ্রিত দেবী দুর্গার নিদ্রা ভাঙ্গার জন্য পঞ্চমীতে বোধনের মাধ্যমে বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সাথে বুধবার ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে সূচনা ঘটবে ৫ দিন ব্যাপি শারদীয় দুর্গোৎসবের।

এদিকে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশসহ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যৌথ মতবিনিমিয়ের আলোকে জেলা সদরসহ প্রতিটি মন্ডপে নিরাপত্তাসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। জেলায় এবার ৫টি উপজেলায় ১৬২টি পূজামণ্ডপে শুরু হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। এর মধ্যে শেরপুর সদরে ৮৩টি, নালিতাবাড়ীতে ৩৬ টি, নকলায় ১৭টি, ঝিনাইগাতীতে ১৪টি ও শ্রীবরদী উপজেলায় ১২টি পূজামন্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহাবায়ক জীতেন্দ্র চন্দ্র মজুমদার ও সদস্য সচিব সুব্রত দে জানান, এবারের দুর্গাপূজা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভাবগম্ভীর্যভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের তরপ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করনসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে। আশা করি, এবার জেলায় সবার সহযোগিতা নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেই দুর্গোৎসব সফল করতে পারবো।

এ ব্যাপারে পলিশ সুপার মো: আমিনুল ইসলাম জানান, এবার জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ ও নির্বিঘ্নে পূজা সম্পন্ন করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী কাজ করবে। এছাড়া দুর্গোৎসব চলাকালে পুলিশের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবির টহল থাকবে। একই কথা জানিয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব পালনের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবছরের মতো প্রতিটি পূজা মন্ডপে সরকারি সহায়তা বিতরণের পাশাপাশি পূজা মন্ডপ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তিনি জেলার সর্বত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্ভয়ে দুর্গোৎসব পালনের আহ্বান জানান ।




