শেরপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই এলাকাবাসির সংঘর্ষে ২ জন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌরসভার গৌরীপুর ও নওহাটা খোয়ারপাড় এলাকায় ওইসব ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন গৌরীপুর এলাকার মৃত হাফেজ আজাহার আলীর পুত্র ট্রলি চালক মিজানুর রহমান (৩৫) ও বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর পুত্র ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২৫)। এর মধ্যে মঙ্গলবার ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শ্রাবণের মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে শেরপুর পৌরসভার খোয়ারপাড় শাপলা চত্বরে গৌরীপুর ও নওহাটা খোয়ারপাড় এলাকার দুই দল কিশোরের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে ওইদিন রাতেই সংঘর্ষে জড়ান ওই দুই গ্রামের বাসিন্দারা। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে উভয় এলাকার বাসিন্দারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আবার সংঘর্ষে জড়ান। ওইসময় উভয় পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ওই সংঘর্ষের মিজানুর রহমান, শ্রাবণসহ উভয় পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যেরা। তারা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অন্যদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্রাবণকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও থমথমে অবস্থা দেখা গেছে। তবে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের টহল কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




