এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : বিরোধী জোটের টানা হরতাল অবরোধেও রেলওয়ের পশ্চিম জোনে নাশকতা কমতে শুরু করেছে। সংম্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে রেলপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হওয়ায় বেশ সফলতাও মিলছে। তবে ট্রেনের সিডিউল এখন তেমন স্বাভাবিক হয়নি। সৈয়দপুর জিআরপি জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার এম, এ রকিব জানান, দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া গত ১৪ ডিসেম্বর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেলওয়ের পশ্চিম জোনে কোন নাশকতার ঘটনা ঘটেনি। সূত্র মতে, চিলাহাটি স্থলবন্দর হতে খুলনা, যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর, গোয়ালন্দ হতে রহনপুর এবং লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর রেলওয়ের পশ্চিম জোনে ১ হাজার ৪শ’ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। জিআরপি পুলিশ এই রেলপথে ৭৮টি নাশকতার পয়েন্ট চিহিৃত করেছে। নাশকতা এড়াতে প্রতিটি পয়েন্টে ৮ জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তার দায়িত্বরত এসব আনসার সদস্যকে সার্বক্ষণিক সহায়তা করছে ১২টি জিআরপি থানা ও ১৬টি জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির ৭৩৭ জন পুলিশ সদস্য। এছাড়াও র্যাব ও স্থানীয় থানার পুলিশরাও নজরদারি করছে। ফলে গত ১৭ দিনে ওনসব পয়েন্টে নাশকতার কোন ঘটনা ঘটেনি। সূত্র জানায়, গত ২৫ অক্টোবর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেলওয়ের পশ্চিম জোনের রেলপথে ৪১টি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। মামলাও হয়েছে প্রায় ৪১টি। এসব মামলায় এৎাহার নামীয় আসামি রয়েছে ১৭৩ জন। গ্রেফতার করা হয়েছে ৭৮ জনকে এবং অবশিষ্ট আসামিদের গ্রেফতারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে জনবল বৃদ্ধি করা হলে রেলপথের নাশকতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে একই সূত্র দাবি করেন।




