শেরপুরের নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ডিএপি সার বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সার কেনার সময় দোকান থেকে ক্যাশ মেমো বা রসিদ সংগ্রহ করতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২৯ আগস্ট শনিবার দুপুরে নালিতাবাড়ী ও নকলায় প্রচারিত এক বিশেষ মাইকিং ঘোষণায় উপজেলার কৃষকদের এ আহ্বান জানানো হয়।

শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর পক্ষে প্রচারিত ওই ঘোষণায় বলা হয়, সরকার নির্ধারিত মূল্যে ৫০ কেজির এক বস্তা ডিএপি সার ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হবে।
ঘোষণায় বলা হয়, কোনো ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করতে পারবেন না। সার কেনার সময় কৃষকদের অবশ্যই ক্যাশ মেমো বা রসিদ সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
কোনো ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় অথবা উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির কাছে লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।

বিশেষ মাইকিং ঘোষণায় কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কেনার পাশাপাশি অতিরিক্ত দাম নেওয়ার চেষ্টা হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়।
উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির মো. হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, এমপি ফাহিম চৌধুরী মহোদয়ের পক্ষে কৃষকদের সচেতন করতে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মাইকিং করা হয়েছে। উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটিও এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে।




