ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী : ৩ দিনের ডাকা অবরোধের প্রথম দিনে রাজশাহী মহানগরীতে শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্যেই ছিল প্রতিকূল পরিবেশ। দু’একটি উপজেলায় অবরোধ সমর্থনকারীরা মিছিল করলেও সহিংসতার তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। অবস্থার এ পরিবর্তন হয়েছে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ফল।
৫ জানুয়ারী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গণতান্ত্রিক সরকার ও প্রতিষ্ঠানকে সচল রাখার জন্য অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে সেনাবাহিনী পরিচালনা মূল লক্ষ্য। পথচারিদের বক্তব্যে অনেক আশা, নিরাশার কথা জানায়। ২৬ অক্টোবরের পর থেকে হরতাল-অবরোধে সারা দেশেই প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষ মারা গেছে, যাত্রীবাহী গাড়ীতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে ৯০ জন আর গাড়ী ভাংচুর হয়েছে ৫শ টির ও বেশি।
এদিকে শনিবার সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে এবং রাজশাহী বাইপাস মোড়ে একটি ক্যাম্প গঠন করেছে। বর্তমান দু-দল দেশ ও জাতির কাছে বিতর্কিত। কিছু ভুল গিয়ে ক্ষমতার লড়াইয়ে মেতে উঠেছে। তাহলে জনগণ কোথায় গিয়ে ঠাঁই নিবে? নির্বাচন কেন্দ্রিক কর্মকান্ডে দু-দলে রাজনীতিবিদ আছে বৈকী? মূর্খবিদ্যায় তারা বলিয়ান। রাজশাহীর দ্বিতীয় বৃহৎ বানেশ্বর হাটে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তুদপরি হরতাল অবরোধে আটকে পড়া রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ৫০ টির ও বেশী যাত্রীবাহী গাড়ী ও ট্রাক নাটোর গিয়ে থেমে যায়। এর মধ্যে দেশ ট্রাভেলস ও বেশ কিছু ট্রাকে ভাংচুরের ছাপ পাওয়া যায়। এ সময় যৌথবাহিনীর সহযোগিতায় দুপুর ১টার পর স্ব স্ব গন্তব্য স্থলে পুলিশ সহযোগিতায় পৌঁছায়। এ সময় উপস্থিত জনগণ প্রসন্ন মুখে সেনাবাহিনীকে বাহবা জানায়।




