ads

শনিবার , ১ আগস্ট ২০২৬ | ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আসামে বন্যায় মৃত বেড়ে ৮২, পানিবন্দি প্রায় দুই লাখ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ১, ২০২৬ ৫:০৩ অপরাহ্ণ

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যের পাঁচ জেলায় এখনও বন্যার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

রাজ্যে বন্যায় শিবসাগর, গোলাঘাট, জোরহাট, নগাঁও এবং চরাইদেও জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের তুলনায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বন্যায় দুই লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, রাজ্য সরকার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর জন্য একাধিক ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন, গবাদি পশু ও সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এবং নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো।

Shamol Bangla Ads

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোলাঘাট, শিবসাগর ও নুমালিগড়ে দিখৌ ও ধানসিরি নদীতে মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জনসাধারণকে ওইসব এলাকা এড়িয়ে চলতে অনুরোধ করা হয়েছে।

রাজ্যের প্রায় ১৩ হাজার মানুষ ৫৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া ২৬টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র ৫ হাজার ৩৮৪ জনকে সেবা দিয়ে আসছে। সরকার ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়নের দিকেও নজর দিয়েছে। মেরামতের জন্য তহবিল যত দ্রুত সম্ভব বরাদ্দ করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, শিবসাগর ও চরাইদেও থেকে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ফলে এ বছর বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৯৯ জনের মধ্যে চরাইদেওতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলায় ৭৭ হাজার ৪৫৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরপর রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ৬৩ হাজার ৪৯২ জন এবং জোরহাটে ৩৪ হাজার ৬৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের ক্ষতিপূরণের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বেসরকারি ও সরকারি বীমা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আগামী ৫ আগস্ট একটি বৈঠক করবে রাজ্য মন্ত্রিসভা।

সরকার একই দিনে এনবিএফসিগুলোর সঙ্গেও বৈঠক করবে। পাশাপাশি শিবসাগর, চরাইদেও, জোরহাট ও গোলাঘাট এই চারটি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ দেওয়ার জন্য তাদের অনুরোধ জানানো হবে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Need Ads
error: কপি হবে না!