ads

রবিবার , ২০ জুলাই ২০২৫ | ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পায়রা বন্দরকে গ্রিন পোর্ট হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌ পরিবহন উপদেষ্টা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২০, ২০২৫ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা এম শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পায়রা বন্দর ঘিরে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার বন্দরটিকে ‘গ্রিন পোর্ট’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। পরে নতুন সরকার এসে ওই বন্দরের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবে। ২০ জুলাই রবিবার পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি হোটেলে পায়রা বন্দরের উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় ওইসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, গ্রিন পোর্ট বলতে এমন বন্দরকে বোঝায়, যেটি পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই কার্যক্রমে বিনিয়োগ ও উৎসাহিত করে।

কর্মশালায় এম শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা বেসরকারি ও বিদেশিদের বলছি তারা যেন বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। পায়রা বন্দর পর্যন্ত যদি রেল লাইন আসে, তাহলে এ বন্দর আরও কার্যকর হবে। বরিশালে কনটেইনার টার্মিনাল করলেও ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

Shamol Bangla Ads

পায়রা বন্দরে পার্শ্ববর্তী দেশের মাধ্যমে আরও ২টি টার্মিনাল করার কথা থাকলেও আপাতত তা হচ্ছে না বলে জানান নৌ পরিবহন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, হয়তো পরে এ টার্মিনাল তৈরি হতে পারে। মাতারবাড়িতে আন্তর্জাতিক মানের গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলা, পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে রিকন্ডিশন গাড়ি আমাদানি করার উদ্যোগের বিষয়েও জানান এম শাখাওয়াত হোসেন।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল। ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল ও নেদারল্যান্ডসের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হাসকোনিং কয়েক বছর ধরে কাজ করে পায়রা বন্দরের জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে। তিনি বলেন, পায়রা বন্দরকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করা হয়েছে। বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের মংলা বন্দরের চেয়ে পায়রা বন্দরের সম্ভাবনা বেশি। এ বন্দরের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও বেশি হবে।

মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসকোনিং এর দলনেতা মেনো মুইজ।

Need Ads
error: কপি হবে না!