ads

বুধবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি : দুদক চেয়ারম্যান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫ ৬:২৮ অপরাহ্ণ

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলে স্বাধীনভাবে কাজ করার মাত্রা আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, সব ধরনের স্বাধীনতারই তো একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের যতটুকু স্বাধীনতা আছে, তার মধ্যেই যতটা সম্ভব ভালোভাবে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে পাবনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দুদকের গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, পাবনার সহযোগিতায় ওই গণশুনানির আয়োজন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

আগের আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক মামলার পরিণত নিয়ে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. আবদুল মোমেন বলেন, নিপীড়নমূলক, নির্যাতনমূলক, শোষণমূলক মামলা যেগুলো হয়েছে তাদের পরিণতি কী? এগুলো নতুন করে ব্যাখ্যা করার কিছু নেই। আমরা যদি সেই ধারাটা অব্যাহত রাখি তাহলে আমাদেরও তো সেই একই রকম পরিণতি হবে।

Shamol Bangla Ads

তিনি বলেন, ‘দুদকের কাজ হচ্ছে বিচারের জন্য তৈরি করে দেওয়া। বিচার করেন আদালত। পাবনা সব সময় একটি প্রতিবাদী জেলা। এই প্রতিবাদটা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরো বেশি হওয়া উচিত।
যাতে দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে পাবনা জেলা আগে দুর্নীতিমুক্ত জেলা হয়।’

পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন দুদক রাজশাহী রেঞ্জের পরিচালক কামরুল আহসান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির মহাপরিচালক আখতার হোসেন প্রমুখ।

জানা যায়, গণশুনানিতে ১৫৭টি অভিযোগ জমা পড়লেও দুদক তফসিলভুক্ত ৫৭টি অভিযোগ আমলে নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানিতে বিভিন্ন সরকারি অফিসে সেবা প্রাপ্তিতে হয়রানির শিকার বা সেবাবঞ্চিত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা অভিযোগ তুলেন ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেই অভিযোগ জবাব দেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা।

গণশুনানিতে সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগের বেশির ভাগই ছিল জমিজমাকেন্দ্রিক। জোনাল সেটলমেন্ট অফিস ও স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানির নানা অভিযোগ উঠে আসে। সেগুলোর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন।

ইব্রাহিম হোসেন নামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ভূমি অফিসে চাকরি করে ৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে কর্মচারীরা কিভাবে ৫তলা বাড়ি করেন। আর আমি দীর্ঘবছর ইতালি থেকেও আজ পর্যন্ত ৫তলা বাড়ি করতে পারি নাই। আমার মায়ের জমি নিয়ে মাসের পর মাস সেটলমেন্ট অফিসে ঘুরতে হচ্ছে। পাবনার সেটলমেন্ট অফিসের সব কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

চর বোয়ালিয়া গ্রামের মজিবর রহমান নামের একজন অভিযোগ করেন, ভূমি অফিসের লোকজন অর্থের বিনিময়ে জমি লিখে দেন। টাকা দিলে সহজেই কাজ হয়ে যায়। আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরান। ফোন করে টাকা চেয়েছেন আমার কাছে। আমাকে বলা হয়েছে, আপনার কাবিন আছে, বউ নাই। অথচ আমার প্রতিপক্ষের কাবিন নাই, সে বউ নিয়ে ঘুরছে। এটা কি অন্যায় নয়। এটা তো অবৈধ।’ পরে ঢাকা থেকে একদল বিশেষজ্ঞ টিম পাঠিয়ে জমি সংক্রান্ত সকল অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান কমিশন।

এ রকমভাবে গণশুনানিতে পাবনার বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস, জেনারেল হাসপাতাল, নির্বাচন অফিস, সাব রেজিস্ট্রার অফিস, বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স কম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানারকম হয়রানির অভিযোগ ‍তুলে ধরেন সেবা প্রত্যাশীরা। অভিযোগগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেয় কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!