ads

বৃহস্পতিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে শিক্ষক-ছাত্রীর পরকীয়ার ঘটনায় তোলপাড়

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪ ৮:৩১ অপরাহ্ণ

৩০ লাখ টাকার কাবিনে বিয়েতে আপোষরফা

শেরপুরে এক কলেজ শিক্ষকের সাথে একই কলেজের এক তরুণী শিক্ষার্থীর পরকীয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অবশেষে বিয়েতে আপোষরফায় তার সমাপ্তি ঘটানো হয়েছে। অন্যদিকে অপোষফা হলেও ওই অনৈতিক ঘটনায় ওই শিক্ষককে তাৎক্ষণিক বদলির বিষয়ে উপর মহলে জানানো হয়েছে এবং তরুণী শিক্ষার্থীকে কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মইদুজ্জামান ২০২১ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি কর্মস্থলে যোগদান করেন। তার বাড়ি নকলা উপজেলার বাজারদী গ্রামে। তার স্ত্রী ও ২ সন্তান রয়েছে। একই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শ্রীবরদী উপজেলার চৈতাজানী গ্রামের শফিকুল ইসলামের কন্যা সানজিদা ইসলাম স্বর্ণার সাথে স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে গিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ওই শিক্ষক।

বিষয়টি কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থী জেনে গেলে এবং উভয়ের সাথে মেসেঞ্জারে নানা কথাবার্তা ও ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে তারা ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানিয়ে ওই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর বিচার দাবি করেন। পরে অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাওজিয়া আমিন দিনা তাৎক্ষণিক ওই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর পরিবারকে খবর দিয়ে কলেজে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে তারা পারিবারিকভাবে বিয়েতে রাজি হলে রাতেই স্থানীয় একটি কাজী অফিসে গিয়ে ৩০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। সেই সাথে কলেজের অধ্যক্ষ ওই শিক্ষককে তাৎক্ষণিক বদলির জন্য ডিজি অফিসে লিখিত চিঠি পাঠান এবং ওই শিক্ষার্থীকে কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

Shamol Bangla Ads

এদিকে ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ অবস্থান নেয়। ওই সময় অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানালে শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।
এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাওজিয়া আমিন দিনা জানায়, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী এই কলেজের হলেও ঘটনাটি মূলত ঘটেছে কলেজের বাইরে কোচিং সেন্টারে । তারপরেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে এবং কলেজের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে ওই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!