শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক কৃষকের পাট ক্ষেতের ডগা কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ৭ জুন শুক্রবার রাতে উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছনকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল বাক্কার ছেলে সবুজ মিয়ার ৩৫ শতাংশ পাট ক্ষেতের বেশিরভাগ পাটের ডগা কেটে ফেলে। এতে তার ২৫ হতে ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সবুজ মিয়া।

কৃষক সবুজ মিয়া জানান, দীর্ঘদিন যাবত তার প্রতিবেশী উমর ফারুক ও তার স্ত্রী শ্যামলীর সাথে জমি নিয়ে একই গ্রামের শওকত আলী, আলমগীর হোসেন, আবু সামা, মিজানুর রহমান ও মুসলিম মিয়া গংদের বিরোধ চলছে। এরই জের ধরে তাদের মধ্যে বৃক্ষ চুরি ও সংঘর্ষের ঘটনায় শওকত আলী গংদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। ওইসব মামলায় সবুজ মিয়া ও সুরুজ মিয়াসহ প্রতিবেশী অনেকে সাক্ষী হয়।
ওই আক্রোশে গত বছর শওকত আলী ও আলমগীর গংরা স্বাক্ষী সবুজ মিয়ার ভূট্টার ক্ষেত থেকে ভুট্টা নিয়ে যায়। ওই ঘটনায় গ্রাম্য শালিস হলেও তারা শালিস মানেনি। বরং বিভিন্নভাবে ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দিয়ে আসছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ৩৫ শতাংশ জমির পাট ক্ষেতের ডগা কেটে নিয়ে যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তাতিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো, আব্দুর রউফ মিয়া ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম।
সবুজ মিয়া বলেন, প্রতিপক্ষরা গ্রাম্যশালিস মানে না। ন্যায় অন্যায় মানে না। আমি মামলার সাক্ষী হওয়ায় তারা আমার পাট ক্ষেতের ডগা কেটে নিয়ে যায়। ফলে আমার কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
তার প্রতিবেশী সুরুজ আলী বলেন, ওদের অন্যায়ের প্রতিপাদ করলেই ওরা এভাবে ক্ষয়ক্ষতি করে। কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায় না। জনপ্রতিনিধিদের বাঁধা নিষেধও মানেনা। তাই আইনশৃংখলা বাহিনীর সহায়তা চান ওইসব ভুক্তভোগী সবুজ মিয়া ও সুরুজ মিয়াসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে শওকত আলী গংদের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বাড়ির লোকজন বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।




