হিরণ্ময় প্রতীক্ষার দীর্ঘ প্রহরগুলো ঝরে গেলে,
তোমার দেহের মাতাল করা সুঘ্রাণ ভেসে আসে
ক্লান্তিকর সময়ের উত্তপ্ত বাতাসে,
নিমিষেই মুছে যায় বেদনার শত কষ্টকণা।

নিঃসঙ্গতাগুলো বিছিয়ে রাখি বকুলতলায়,
একাকী রাতগুলো থাক পরবাসে,
অনুকূল সন্ধ্যাগুলো তুলে রাখি আগামীর জন্য,
এসো কথা বলি, অতীতের সুখময় স্মৃতি নিয়ে।
গাছের পাতায় শিশির পড়ার মতো
নিস্তব্ধতা ভাঙতো তোমার অনুচ্চ স্বর।
বুক ভরা স্বপ্ন ছিল, চোখ ভরা কথা
কানে বাজতো নূপুরের রুমঝুম সুর।

পুরোনো স্মৃতির খড়কুটো পাখির মতো
ঠোঁটে তুলে এখনও কি নীড় বাঁধার স্বপ্ন দেখো?
উন্মথিত স্বপ্নজাল ছিঁড়ে হাতে হাত রেখে
চলো হেঁটে যাই জোছনা ধোয়া পথ ধরে।
দু পায়ে থাক জড়িয়ে চোরকাঁটা আদরে
নাকে এসে লাগুক মাটির সোঁদা গন্ধ
সবুজ ধানের শীষে খুঁজি শিশিরবিন্দু।
পাঞ্জাবির জেবে ভরে নিই
একমুঠো নীল জোনাকি।
ঘোর লাগা দুটি মনে
নিশিদিন জ্বেলে রাখি পূর্ণতার আলো।




