চিথলিয়া স্পোর্টিং ক্লাবকে ২-১ গোলে পরাজিত করে মোবারকপুর যুব ক্লাব চ্যাম্পিয়ন
শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে সোনার বাংলা যুব সংঘ চতুর্থ বার্ষিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে শহরের দমদমা কালীগঞ্জ এলাকায় ইদ্রিস এন্ড কোম্পানীর ইটভাটার মাঠে আয়োজিত ওই টুর্নামেন্টে সদর উপজেলার মোবারকপুর যুব ক্লাব একাদশ ২-১ গোলে শ্রীবরদী উপজেলার চিথলিয়া স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

খেলার প্রথমার্ধের শুরুতেই নয়নের গোলে এগিয়ে যায় মোবারকপুর যুব ক্লাব। পরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই চিথলিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষে জিন্নত গোল করে খেলায় সমতা ফেরান। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে বেশ জমে ওঠে খেলাটি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে আবারও নয়নের একটি দৃষ্টিনন্দন গোলে এগিয়ে যায় মোবারকপুর যুব ক্লাব। সেই গোল আর পরিশোধ করতে না পারায় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চিথলিয়া স্পোর্টিং ক্লাব। খেলায় ২ গোল করে ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন মোবারকপুর যুব ক্লাবের ফরোয়ার্ড নয়ন।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি শেরপুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, জেলা আইনজীবী সমিতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার। খেলায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মানিক দত্ত। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল মিয়া, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি ফারুক আহম্মেদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক মাছুদুল আলম সরকার, আলহাজ্ব মো. হাবিবুর রহমান, আলহাজ্ব মো. বেলাল হোসেন, আলহাজ্ব মো. মোখলেসুর রহমান, এ্যাডভোকেট তাজুমুল ইসলাম, খন্দকার মো. কালু গাজী, শফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, বিল্লাল হোসাইন, সাইফুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম, হাবিবুল্লাহ বাহার, মাহমুদুল হাসান টুটুল, মজিবর রহমান হেলাল, উজ্জল সরকার প্রমুখ।

ধারাভাষ্যে ছিলেন রফিকুল ইসলাম আকন্দ ও আতিকুর রহমান আতিক। এ টুর্নামেন্টে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সমাজসেবক আশরাফ আলী, সোনার বাংলা যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিজানুর রহমান মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক মনিহার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহিন আহমেদ বাপ্পীসহ ক্লাবের অন্যান্যরা।
খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি আলম মাস্টার। বিপুল সংখ্যক দর্শক খেলাটি উপভোগ করেন। এ টুর্নামেন্টে ১৬টি দল অংশ নেয়। খেলায় পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলকে একটি গরু ও ট্রফি এবং রানার্সআপ দলকে একটি এলইডি টেলিভিশন ও ট্রফি প্রদান করা হয়।




