ads

বৃহস্পতিবার , ২৪ জুন ২০২১ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা বন্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ, দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী - ফটো কার্ড
জুন ২৪, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সকল কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ইউনিয়ন পরিষদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি নির্মাণ করা হয়। পরিষদের ভবনটি নির্মাণের আগে পরিষদে যাতায়াতের রাস্তার জন্য ঘাগড়া লস্করপাড়া গ্রামের মৃত রহিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুর রহিম ও আব্দুর রাজ্জাক সাফকবলা দলিলমুলে ২৫ শতাংশ জমির মধ্যাংশে থেকে ৪ শতক করে জমি দেন। একইভাবে মৃত ইসরাফিল খানের ছেলে মো. বেলাল হোসেন খান গংরা ১৯৯৬ সালে ২ শতাংশ জমি লিখে দেন। কিন্তু ওই দলিলে জমির স্থান উল্লেখ করা হয়নি। এ নিয়ে ঝামেলায় পড়ে ইউনিয়ন পরিষদ।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয়রা জানায়, বর্তমানে ওই জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় দাতা বেলাল গংরা পরিষদে যাতায়াতের জন্য জমি দান করলেও এখন তা দিতে নারাজ। বিগত নির্বাচনে জমিদাতা বেলাল হোসেন ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। ওইসময় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন শামছুল হক। তারা উভয়েই দায়িত্ব পাওয়ার পর পরিষদের রাস্তাটি নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্পও বরাদ্দ করান। জমিদাতা হিসাবে ইউপি সদস্য বেলাল হোসেনের দাবি রাস্তা নির্মাণ কাজটি তিনিই করবেন। কিন্তু ইউপি চেয়াররম্যান শামছুল হক কাজটি বেলালকে না দিয়ে তিনি নিজেই কাজ শুরু করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের সম্মুখ থেকে সোজাসুজি ভাবে মাটি ভরাটের কাজও শুরু করেন। রাস্তাটির বেশির ভাগ জায়গাতে মাটি ভরাটের পর বাধ সাধেন বেলাল মেম্বার ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা। এতে ভেস্তে যায় ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা নির্মাণ কাজ।
সম্প্রতি বেলাল ও তার লোকজন রাস্তার সামনে ওই জমির উপর বিল্ডিং নির্মাণ করে যাতায়াতের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। আবার কেউ কেউ রাস্তার উপর খড়ের পালা দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছেন। এতে রাস্তার অভাবে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে লোকজন যাতায়াত করতে পারছেন না। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সেবাদানকারি ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবা গ্রহিতাদের। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান বা উপজেলা প্রশাসন থেকে জেলা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করা হলেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে নির্মিত হচ্ছে না ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা।
এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলী আকবর জানান, পরিষদের রাস্তা না থাকায় পরিষদের নামে বরাদ্দকৃত মালামাল আনা নেয়া করতে ব্যয় বেশী হওয়ার পাশাপাশি যাতায়াত করতে গিয়েও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তিনি বলেন ইতোপূর্বে যারা চেয়ারম্যানগণ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তারা এ সমস্যা সমাধানের কোন উদ্যোগ নেননি। ফলে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
জমিদাতা সাবেক ইউপি সদস্য বেলাল বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদের নামে জমি দিয়েছি, এ কথা অস্বীকার করছি না। তিনি বলেন, রাস্তাটি অন্যদিক থেকে দেয়া হবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ বলেন, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Need Ads