ads

মঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্যারালাইসিসে অচল শরীর, ঝিনাইগাতীতে ৩ বছরেও জোটেনি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী - ফটো কার্ড
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ৭:৪৮ অপরাহ্ণ

শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে পড়ে আছে প্রায় তিন বছর। নেই কাজ করার সামর্থ্য, নেই চিকিৎসার টাকা। স্ত্রী মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে যে সামান্য আয় করেন, তা দিয়েই কোনো রকমে চলে চার সদস্যের সংসার। সহায়-সম্বল বলতে বাড়ির ১০ শতাংশ জমি। এমন অসহায় অবস্থার মধ্যেও তিন বছর ধরে একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের অপেক্ষায় দিন কাটছে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর সুরেশ চন্দ্র পালের।

Shamol Bangla Ads

সুরেশ চন্দ্র পাল উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মরহুম কালীপদ পালের ছেলে। স্ত্রী চায়না রানী ও দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর সংসার। একসময় মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন সুরেশ। কিন্তু প্রায় ৩ বছর আগে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকেই কর্মহীন হয়ে ঘরে পড়ে আছেন তিনি।

এখন সংসারের হাল ধরেছেন স্ত্রী চায়না রানী। নিজ হাতে মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে সেগুলো বিক্রি করে যে সামান্য টাকা পান, তা দিয়ে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে কখনো অনাহারে, কখনো অর্ধাহারে দিন কাটছে পরিবারটির। অর্থের অভাবে সুরেশের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও করাতে পারছেন না তারা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড পাওয়ার জন্য উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করেছিলেন সুরেশ। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কার্ড পাননি। সরকারি কোনো সহায়তাও জোটেনি তাঁর ভাগ্যে।

Shamol Bangla Ads

অসুস্থ, কর্মক্ষমতাহীন ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল একজন মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে এত দীর্ঘ সময় লাগছে কেন—এ প্রশ্নই এখন স্থানীয় সচেতন মহলের।
সুরেশ চন্দ্র পাল বলেন, শরীরের এক পাশ অচল। কোনো কাজ করতে পারি না। সংসারে অভাব, চিকিৎসার টাকাও নেই। অনেক আগে ভাতার জন্য আবেদন করেছি। এখন সরকার যদি একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেয়, তাহলে পরিবারটি অন্তত বাঁচার একটা অবলম্বন পাবে।

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সানজা ইসলাম সানীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads