ads

বুধবার , ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে এবার কেজি দরে কাঁঠাল বিক্রি!

জুবাইদুল ইসলাম - ফটো কার্ড
এপ্রিল ২৮, ২০২১ ২:০৭ অপরাহ্ণ

ফন্দিবাজ বিক্রেতারা লাভবান হলেও ঠকছেন ক্রেতারা

কেজিতে তরমুজ বিক্রি নিয়ে যখন পুরো দেশে একটা হুলস্থুল কাণ্ড চলছে, ঠিক তখন শেরপুরে এবার কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। একেকটি বড় কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা টাকা কেজি দরে। আর ছোট ছোট কাঁঠাল প্রতি পিস দাম চাওয়া হচ্ছে ৭/৮শ টাকা। ২৮ এপ্রিল বুধবার শহরের খরমপুর ও রঘুনাথবাজার এলাকায় ঘুরে পাওয়া গেছে এমনই চিত্র। অন্যদিকে কেজি দরে কাঁঠাল বিক্রির ঘটনায় ফন্দিবাজ বিক্রেতারা লাভবান হলেও তুলনামূলকভাবে অনেকটাই ঠকছেন ক্রেতারা। ওই অবস্থায় ক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই কাঁঠাল না কিনে ফিরে গেলেও মৌসুমের প্রথমার্ধের ফল হিসেবে চড়া দামেই কাঁঠাল কিনছেন কেউ কেউ।
সরেজমিনে শহরের খরমপুর ও রঘুনাথবাজার এলাকায় গিয়ে কথা হয় কাঁঠাল বিক্রেতাদের সাথে। তাদের মধ্যে আনার আলী নামে এক বিক্রেতা জানান, নকলা উপজেলার নারায়ণখোলা থেকে দুই চালানে ৫০টি কাঁঠাল এনেছিলাম। এ পর্যন্ত ৪৩টি কাঁঠাল কেজি দরে বিক্রি করেছি। আর মাত্র ৭ টা কাঁঠাল আছে। দাম বেশী চাওয়ার প্রশ্নে কাঁঠাল বিক্রেতা আনার বলেন, ভাই আমগো কি দোষ। পাবলিক বেশী দামে কিনতাছে, আর না কিনে কই যাবে? এই সময়ে কাঁঠাল পাবে কই?

Shamol Bangla Ads

অন্যদিকে কাঁঠাল কিনতে আসা ক্রেতা লাকী আক্তার বলেন, আমরা মধ্যবিত্তরা তরমুজ, কাঁঠাল না খেয়েই এবারের বছর পার করবো। কারণ যে দাম চাওয়া হচ্ছে, এটা আমাদের কেনার সাধ্যে নেই। এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে বলেন, তরমুজের মত কাঁঠাল বিক্রিও এখন সিন্ডিকেটে চলে গেছে।
আরেক ষাটোর্ধ্ব ক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, আমার জিন্দেগিতে কখনো কাঁঠাল কেজি দরে বিক্রি করতে দেখি নাই। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষেরা শুধু চোখে দেখেই তৃপ্তি মেটাবো। কারণ এত দামে কিনে খাওয়ার তো ক্ষমতা আমাদের নাই।
কেজিতে কাঁঠাল বিক্রি প্রসঙ্গে শেরপুরের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, এরকম কাজ মোটেও ঠিক নয়। আমি শেরপুর-জামালপুর দুই জেলার দায়িত্বে থাকায় সপ্তাহে দু’দিন শেরপুর অফিস করি। এ বিষয়ে দ্রুতই জেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ ব্যাপারে শেরপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) এটিএম জিয়াউল ইসলাম বলেন, ভোক্তা অধিকারের যে কোন প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করবে। দরকার হলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads