শ্যামলবাংলা বিনোদন : না, কোনো প্রপাগান্ডা নয়। এই যৌথ ছবিটি নিয়েও বিতর্কের মশলা কম বানানো হয়নি। যৌথ প্রযোজনা স্বাভাবিক নিয়ম মানা হয়নি, একই দিনে রিলিজ দিতে পারেননি নানা জটিলতায়, এরপর কলকাতায় ছবিটি রিলিজের পরদিনই ছবিটির নকল ডিভিটি ঢাকায় সয়লাব হয়ে যায়। এতোকিছুর পরও আসল খবর হলো, ছবিটি সবাইকে চমক লাগিয়ে ব্যবসা সফলতায় এগিয়ে আছে। এর ভেতরে বেশকিছু চলচ্চিত্র বিষয়ক পোর্টাল ছবির হল রিপোর্ট ছাপলেও আদতে ছবিটি যে ব্যবসা সফলতার সূচক ছুঁয়েছে, চলচ্চিত্রের এই মহামন্দার বাজারে এটি অনেক বড় ঘটনা। তবে দুই দিনে এক কোটি বা ৪ দিনে ৩ কোটি এসব ফাঁকা আওয়াজ নয়, দর্শকরা প্রতিটি শো’তেই নিজের পরিতৃপ্তির কথাই জানাচ্ছেন। এদিকে দুই বাংলার প্রযোজক মিলে ছবিটির সিক্যুয়েল তৈরিরও পরিকল্পনা করছেন। একই সাথে সমান আলোচনা ও সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্রের বাজারে মীমের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ছে দিনকে দিন।
এই সাফল্য প্রসঙ্গে ব্ল্যাক-এর নায়িকা বিদ্যা সিনহা মীম বলেন, ‘যেকোনো চিত্রনায়িকার জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হলো ছবিটির ভালো ব্যবসা করা। একই সাথে প্রযোজকের মুখে হাসি। সেই সুখবরটি আমাদের দর্শকরা উপহার দিয়েছে এটিই সবচেয়ে বড় কথা। এছাড়া আমি মনে করি, যৌথ প্রযোজনায় দুই পক্ষের অনেক অনেক অসঙ্গতির খবর কানে আসে। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, সেগুলো কাটিয়ে উঠে নীতিমালা মেনে যদি আমরা ভালো চলচ্চিত্র দিয়ে দর্শকদের ফেরাতে পারি তবে হলের পরিবেশও ভালো হয়ে যাবে। ইন্ডাস্ট্রিরও সুদিন আসতে সময় লাগবে না।’




