এস.এম রফিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) : নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর পৌর শহরে সুমেশ্বরী নদীর কবল থেকে দুর্গাপুর শহর রক্ষা বাঁধের পাশ্বে সম্পুর্ন অপরিকল্পিত এবং নিয়ম বহিঃর্ভূত ভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর পুন্যাহবাড়ী ঘাট থেকে উত্তরাংশে পশ্চিম সাধুপাড়া এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ডাম্পিং ব্লক অন্ত:ত ৫০ভাগ খসে পড়েছে।
এই অংশে বালু উত্তোলনের ফলে ইতিমধ্যে অন্তত ৪০ফুট গভীরতার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দুর্গাপুর শহরটি হুমকির মুখে রয়েছে। আশে পাশের বাসিন্দা ও শহরবাসী আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। উল্লেখ্য এই এলাকাটির অদুরেই দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ ভবন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২টি কলেজ সহ ৭/৮টি শিা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই এলাকায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ডাম্পিং ব্লক গুলো জরুরী ভিত্তিতে পুনঃ স্থাপনসহ অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ করা না হলে, পুরো এলাকাটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ব্যাপারে গত ১৫মে শুক্রবার দুর্গাপুর উপজেলার গনমাধ্যমের একটি অনুসন্ধানী টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে এই বিপদ জনক এলাকাটি প্রত্যক্ষ করেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা রোহান মিয়া,আমিনুল ইসলাম, সোহরাব মিয়া বলেন,নওশের আলী জানান আমরা সব সময় ড্রেজারে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে প্রতিবাদ করে আসছি, কিন্তু উত্তোলনকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমাদের কোন কথাই শুনছেন না। সরেজমিনে দেখা যায়, এই ড্রেজিংয়ের কারনে একটি ক্যানেল এর সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলে এই ক্যানেলটি বিপদের কারন হতে পারে। এ ব্যাপারে পৌর মেয়র শ.ম জয়নাল আবেদীন বলেন এ বিষয়ে আমি অনেকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা গনকে অবহিত করেছি,তিনি আরো বলেন ব্লক বাঁধের খুবই নিকট থেকে ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের ফলে এই গর্তের হয়েছে এবং ডাম্পিং ব্লকগুলি খসে পড়ছে। ডাম্পিং ব্লক খসে পড়া সম্পর্কে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড নেত্রকোনা নির্বাহী প্রকৌশলী’র কাছে ফোনে জানতে চেষ্টা করা হয় কিন্তু তাঁদের মন্তব্য সংগ্রহ করা যায়নি।




