মোনায়েম মন্ডল, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়ন ও কুপতোলা ইউনিয়নের সংযোগ ও এলাকার হাজার হাজার জনগনকে গাইবান্ধা শহরে আসার একমাত্র কাজলঢোপ(চৌধুরী ভিটা) এলাকায় নির্মিত ঘাঘট ব্রীজ সংলগ্ন স্থানের শহর রক্ষা বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় এলাকাবাসী নির্মিত বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে নদী গর্ভে বিলীন হওয়া শহর রক্ষা বাঁধের অংশটুকু মেরামত করা না হলে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ ৪/৫টি পরিবার ছাড়াও চলতি বর্ষা মৌসুমে আশপাশের আরও কমপক্ষে ১০/১৫ টি পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীনের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের উত্তর সীমান্ত ও কুপতোলা ইউনিয়নের দক্ষিন সীমান্তের সংযোগ স্থল কাজলঢোপ(চৌধুরীভিটা) এলাকায় ১৯৯৮ সালে ঘাঘট নদীর উপর ব্রীজ নির্মান করা হয়। একই সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা ও দায়রা জজ আদালত গাইবান্ধা শহরের পশ্চিম প্রান্তে স্থানান্তর হওয়ায় এ ব্রীজটির গুরুত্ব বহুলাংশে বেড়ে যায়। এ ব্রীজ দিয়ে কুপতোলা ও লক্ষীপুর ইউনিয়ন সহ সাদুল্যাপুর উপজেলার পূর্ব প্রান্তের হাজার হাজার মানুষ কমপক্ষে ৩/৪ কিলোমিটার কম দুরুত্ব পথ হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা মোদ্দমার জন্য যাতায়াত করে আসছেন।
এদিকে উল্লেখিত ব্রীজের মাত্র ১’শ গজ পূর্ব পাশে দুই বছর আগে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে যায়। এ সময় আকবর আলী, রবিউল, ফজলুর রহমান, খাজা মিয়া ও মোজা মিয়াসহ ৫টি পরিবারের ঘর বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কাজলঢোপ এলাকার সচেতন জনগণ নদী গর্ভে বিলীন হওয়া শহর রক্ষা বাঁধের অংশটিতে এলাকা সমূহের লোক জনের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাঁশের সাঁকো তৈরী করেন। বর্তমানে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে। আর মাত্র দুই মাস বাকি রয়েছে বর্ষাকাল শুরু হওয়ার। কিন্তু অদ্যাবধী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোন কর্মকর্তা ভাঙ্গন কবলিত অংশটুকু পরিদর্শন করেননি বা ভাঙ্গন অংশটুকুও মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।




