ads

শনিবার , ১৬ মে ২০১৫ | ১৪ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

‌’আমাকে ছোট একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল’ : সালাউদ্দিন

Salahuddin-Ahmedশ্যামলবাংলা ডেস্ক : বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ মেঘালয় পুলিশকে বলেছেন, ঢাকায় অপহৃত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় একটি ছোট কক্ষে আটক ছিলেন তিনি।
শিলং পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সালাহ উদ্দিন তাদের বলেছেন, পরে অপহরণকারীরা তার চোখ বেঁধে কয়েকদিন ধরে গাড়িতে করে ঘোরায় এবং সে সময় তারা বারবার গাড়ি বদলায়। গত সোমবার সালাহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবারই তাকে প্রথম আনুষ্ঠানিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে শিলং পুলিশ।
গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ বলেছিল, এই বিএনপি নেতার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তার বিষয়ে পুলিশকে জানিয়েছিল। তবে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনিকে বলেছেন, তিনি নিজেই স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন।
দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর সোমবার মেঘালয়ের শিলংয়ে গ্রেপ্তার হন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন।
তার সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার শিলংয়ে গেছেন আব্দুল লতিফ জনি। পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সালাহ উদ্দিনের বেশ কয়েকজন আত্মীয়ও শিলংয়ে পৌঁছেছেন। তার জন্য খাবার ও নতুন জামা-কাপড় নিয়ে গেছেন তারা।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন কর্মকর্তা বলেন, অপহৃত হওয়ার পরের ঘটনা নিয়ে কিছু মনে করতে পারছেন না বলে সালাহ উদ্দিন প্রথমে বলেছিলেন। “তবে এখন তিনি বলছেন, প্রায় দুই মাসের মতো বাংলাদেশের কোথাও একটি বাড়ির এক ছোট কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে চোখ বেঁধে তাকে ওই ঘর থেকে বের গাড়িতে করে ঘোরানো হয় এবং অপহরণকারীরা বার বার গাড়ি বদলায়।”
সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে ‘কিছু অসামঞ্জস্যতা’ পাওয়া যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “বক্তব্য যাচাইয়ের জন্য তাকে আমাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।”
সালাহ উদ্দিনকে শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানোর কোনো ইঙ্গিত এখনো পায়নি মেঘালয় রাজ্য সরকার। “আমরা তার বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের মামলাও দায়ের করেছি। আমাদের বের করতে হবে, কীভাবে তিনি সীমান্ত পার হলেন। তিনি নিজে সীমান্ত পার হয়েছেন নাকি তার অপহরণকারীরা তাকে এখানে নিয়ে এসেছেন।
“এর যেটাই ঘটুক না কেন তা আমাদের জন্য দুশ্চিন্তার।”
সালাহ উদ্দিন আহমেদের হৃদস্পন্দন এখন স্বাভাবিক থাকলেও তার কিডনির সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন শিলংয়ের সিভিক হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এছাড়া তিনি চর্মরোগে ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।
সোমবার গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রথমে শিলংয়ের একটি মানসিক হাসপাতালে নেওয়া হয় সালাহ উদ্দিনকে। পরে সিভিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এই বিএনপি নেতাকে। এ কয়দিন সেখানে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা চলে।
বিএনপির অবরোধে নাশকতায় প্রাণহানির মধ্যে অজ্ঞাত স্থান থেকে বিবৃতি পাঠিয়ে কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানিয়ে আসার এক পর্যায়ে নিখোঁজ হন সালাহ উদ্দিন।
গত ১০ মার্চ উত্তরার একটি বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয় বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সালাহ উদ্দিনকে ধরে নিয়েছিল বলে তার পরিবারের পাশাপাশি বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে আসছিলেন। তবে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে আটক বা গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করা হয়। সালাহ উদ্দিনের অন্তর্ধান বিএনপির ‘অন্তরালের’ বিষয় বলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করেন।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads